মুন্সিগঞ্জে পরিবেশবান্ধব আবাসন প্রকল্প ‘নতুনধরা’
কোলাহলমুক্ত, সবুজ এবং পরিকল্পিত পরিবেশে নিজস্ব আবাসনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান ও শ্রীনগর উপজেলায় গড়ে উঠছে শতভাগ পরিবেশবান্ধব ও সুপরিকল্পিত আবাসন প্রকল্প ‘নতুনধরা’। আবাসন খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ‘নতুনধরা অ্যাসেটস লিমিটেড’ আনুমানিক ৩ হাজার ৫০০ বিঘা জমির ওপর এই বিশাল ও আধুনিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
অবস্থান ও যোগাযোগ
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশেই প্রকল্পটির অবস্থান হওয়ায় মাত্র ১৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকা থেকে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছানো সম্ভব। পদ্মা সেতু চালুর ফলে এ অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, বাণিজ্যিক গুরুত্ব এবং ভূমিমূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা যেমন জোরালো হয়েছে, তেমনি এটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্যও একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য হয়ে উঠেছে।
প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা
একটি পূর্ণাঙ্গ ও বাসযোগ্য আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘নতুনধরা’ প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যান সাজানো হয়েছে। প্রকল্পটিতে ৫০০টি প্লট সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৩, ৪ ও ৫ কাঠা সাইজের প্লট বরাদ্দের সুযোগ রয়েছে। প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ সড়ক ও প্লট বিন্যাসের কাজও দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
প্রকল্পের সৌন্দর্য ও আধুনিক জীবনযাত্রার মান অনুযায়ী প্রকল্প এলাকায় ইতিমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে—১ বিঘার বেশি জায়গাজুড়ে ‘গোল্ডেন গার্ডেন’। শিশুদের জন্য প্রায় ২০ শতাংশ জমিতে নির্মিত আধুনিক ‘কিডস জোন’। খেলাধুলার জন্য প্রায় ৫ বিঘা জমির বিশাল খেলার মাঠ। যাতায়াত সহজ করতে প্রকল্পটিতে ৮০ ফুট, ৪০ ফুট, ৩০ ফুট ও ২৫ ফুট প্রশস্ত সড়ক নেটওয়ার্ক নির্মাণ করা হয়েছে। নাগরিক জীবনের সব প্রয়োজনীয় সুবিধা যেমন—বিদ্যুৎ, পানি, আধুনিক পানিনিষ্কাশন ব্যবস্থা, ইউটিলিটি, মসজিদ, পার্ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র, শপিং জোন ও কমিউনিটি সুবিধার জন্য পর্যাপ্ত স্থান সংরক্ষণ করা হয়েছে।
আইনি নিরাপত্তা ও অনুমোদন
প্লট কেনার ক্ষেত্রে গ্রাহকের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা থাকে আইনি নিরাপত্তা নিয়ে। এ জায়গায় ‘নতুনধরা’ প্রকল্প সতর্ক অবস্থানে আছে। বেসরকারি আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা অনুযায়ী, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বেসরকারি আবাসন প্রকল্প গ্রহণের অনুমোদন পাওয়া গেছে। এ ছাড়া প্রকল্পটি পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ইআইএ ও চূড়ান্ত পরিবেশগত ছাড়পত্র পেয়েছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ এবং জেলা প্রশাসনের দায়মুক্তি সনদও রয়েছে। জেলা প্রশাসনে ভূমি ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী জমি ক্রয় ও মিউটেশনের অনুমোদন আছে।
মূল্য ও কিস্তি সুবিধা
সাশ্রয়ী মূল্য ও সহজ কিস্তি সুবিধা গ্রাহকদের সামর্থ্যের কথা বিবেচনা করে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও গ্রাহকবান্ধব শর্তে প্লট বুকিংয়ের সুযোগ দিচ্ছে ‘নতুনধরা’। লোকেশন ও ক্যাটাগরিভেদে প্রতি কাঠা প্লটের মূল্য প্রায় ১০ লাখ থেকে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত। প্রতি কাঠা প্লট বুকিংয়ের জন্য প্রয়োজন মাত্র ৫০ হাজার টাকা। মোট মূল্যের ২৫ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে প্লট বরাদ্দ নেওয়া যাবে। বাকি টাকা পরিশোধের জন্য গ্রাহকেরা পাচ্ছেন সর্বোচ্চ ১০ বছর বা ১২০টি সহজ কিস্তির সুবর্ণ সুযোগ। নির্ধারিত শর্ত পূরণ ও প্রকল্পের মেয়াদ শেষে রেজিস্ট্রি ও প্লট হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।



