সাভারে লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি, স্বস্তি ফিরেছে গ্রাহকদের মধ্যে
সাভারে লোডশেডিং উন্নতি, স্বস্তি ফিরেছে গ্রাহকদের

তীব্র দাবদাহের মধ্যে টানা এক সপ্তাহের বিদ্যুৎ সংকটের পর ঢাকার সাভারে লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ১ জুলাই থেকে বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় লোডশেডিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে গ্রাহকদের মধ্যে।

বিদ্যুৎ সরবরাহের বর্তমান অবস্থা

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ৪২২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর আওতাধীন এলাকায় ৩০৭ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকায় কোনও লোডশেডিং করতে হয়নি।

উন্নতির কারণ

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সরকারি ছুটির কারণে শিল্পকারখানার বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সুবিধা হয়েছে। তারপরও সপ্তাহখানেক আগের অবস্থার তুলনায় বর্তমান পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া

সাভারের শিমুলতলা এলাকার বাসিন্দা পারভীন আক্তার বলেন, ‘গত দুই দিন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে পরিস্থিতি এতটাই দুর্বিষহ ছিল যে দৈনন্দিন যাবতীয় কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। গড়ে দিনে ৮-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছিল। এক ঘণ্টা পরপর এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকতো না।’

জামসিং এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যুতের পরিস্থিতি এখন কিছুটা ভালো। তবে এক সপ্তাহ আগেও পরিস্থিতি যতটা ভয়াবহ ছিল।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কর্মকর্তাদের বক্তব্য

ঢাকা পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক আক্তারুজ্জামান লষ্কর বলেন, ‘আজ আমাদের মোট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ২২ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল। চাহিদা ছিল ৪২২ মেগাওয়াট। ১ জুলাই থেকে সরবরাহ বেশ ভালো রয়েছে, তবে এক সপ্তাহ আগে পরিস্থিতি বেশ খারাপ ছিল। দিনে সর্বোচ্চ ১২৫ মেগাওয়াট পর্যন্ত আমরা সে সময় লোডশেডিং পেয়েছি।’ তিনি আরও জানান, ঢাকা পল্লি বিদ্যুৎ সমিতি-৩-এর আওতাধীন এলাকায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকে।