গাজীপুরে কারখানা বন্ধ: জরুরি পদক্ষেপের দাবি ইসলামী আন্দোলনের
গাজীপুরে কারখানা বন্ধ: জরুরি পদক্ষেপের দাবি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, গাজীপুর দেশের শিল্প অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। লাখো শ্রমিকের রুটি-রুজির ব্যবস্থা হয় এখান থেকে। সেই গাজীপুরে একের পর এক কারখানা বন্ধ হওয়ার বহুমাত্রিক নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে।

অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব

এটা দেশের প্রধান উৎপাদন খাতে ঘাটতি তৈরি, বহু শ্রমিকের বেকারত্ব, বেকারজনিত সামাজিক অস্থিরতা এবং অর্থনীতি সম্পর্কে শঙ্কা তৈরি করে। ফলে এই বিষয়ে সরকারকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে, তদন্ত করে কারখানা বন্ধের প্রকৃত কারণ বের করতে হবে। কোনও দুরভিসন্ধিমূলক কারণ আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে হবে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান এই দাবি করেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গত সপ্তাহে ১৩টি গার্মেন্টস বন্ধ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, গত এক সপ্তাহে ১৩টি গার্মেন্টস বন্ধ হওয়া আসলেই উদ্বেগজনক। এসব কারখানা বন্ধ হওয়ার পেছনে কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধি, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদ, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রয়াদেশ কমে যাওয়াকে কারণ হিসেবে সামনে এসেছে।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে নানা দাবিতে শ্রমিক আন্দোলন। সাম্প্রতিক বন্ধ হওয়া ১৩টি গার্মেন্টস কারখানার মধ্যে শ্রমিক অসন্তোষজনিত কারণও রয়েছে। এসব কারণের সঙ্গে অন্য ধরনের দুরভিসন্ধির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ফলে সরকারের সতর্কতা কাম্য।

শ্রমিকদের পাওনা ও কর্মসংস্থানের দাবি

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, বন্ধ হওয়া গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিকদের পাওনা বেতন-ভাতা আদায়ে সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে এবং তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করতে হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ