গ্রাহকের আস্থা অর্জনে আশিয়ান গ্রুপের নানা পদক্ষেপ
গ্রাহকের আস্থা অর্জনে আশিয়ান গ্রুপের পদক্ষেপ

আবাসন ব্যবসায় গ্রাহকের আস্থা অর্জন ও দ্রুত প্লট হস্তান্তরের লক্ষ্যে আশিয়ান গ্রুপ নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম ভূইয়া জানান, জমি বা প্লটে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মানুষের মনে সাধারণত কিছু ভীতি কাজ করে। এই ভীতি দূর করতে আমরা গ্রাহককে সরাসরি স্পটে নিয়ে তাঁর পছন্দের জমিটি দেখাই। গ্রাহকের সন্তুষ্টির জন্য আমাদের আইনবিশেষজ্ঞ আছেন, তাঁদের কাছে জমির যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই করে নিতে পারেন গ্রাহকেরা।

প্লট হস্তান্তরে দুই সুবিধা

প্লট হস্তান্তরের ক্ষেত্রে আমাদের দুটি সুবিধা রয়েছে—এককালীন ও কিস্তি। কেউ এককালীন মূল্য পরিশোধ করলে তাৎক্ষণিক রেজিস্ট্রেশন ও জমি বুঝিয়ে দেওয়া হয়; চাইলে তিনি তখনই সীমানাপ্রাচীর বা বাড়ি তৈরি করতে পারেন। অন্যদিকে কিস্তিতে কিনলেও আমরা গ্রাহককে সীমানাপ্রাচীর করার সুযোগ দিচ্ছি, যা গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে আলাদা বৈশিষ্ট্য। এ ছাড়া চুক্তির পর জমির দাম বাড়লেও কিস্তির গ্রাহককে বাড়তি কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হয় না।

নতুন প্রকল্প ও যোগাযোগব্যবস্থা

নাগরিক জীবনের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আবাসনের চাহিদা যেমন বাড়ছে, ততই মানুষ বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য আবাসনব্যবস্থার জন্য আশিয়ান গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে। ১ হাজার একর জমি নিয়ে আমাদের প্রকল্পের উন্নয়ন চলছে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে আবাসন প্রকল্পগুলোকে আরও বিস্তৃত করা হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আমাদের বর্তমান প্রকল্পটির অবস্থান এয়ারপোর্টের ঠিক উল্টো পাশে। রাজউক ৩০০ ফুট সড়ক থেকে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় (ড্যাপ) প্রস্তাবিত তিনটি রাস্তা (২০০, ১২০ ও ১০০ ফুট) আমাদের প্রকল্পের ওপর দিয়ে গেছে। এগুলোর কাজ এখনও চলমান আছে। উন্নত যাতায়াতব্যবস্থার কারণে এ প্রকল্প গ্রাহকদের জন্য বেশ সুবিধাজনক হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইনি বৈধতা ও সরকারি অনুমোদন

হাইকোর্টের রায় এবং রাজউকের নির্দেশনা মেনেই আমাদের সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আমরা সম্পূর্ণ আইন অনুযায়ী অনুমোদিত জমিতে প্লট বিক্রি করি। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আমাদের নিজস্ব উচ্চমানের নিরাপত্তাব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি রাজউকের নিয়ম অনুযায়ী প্রশাসনের (পুলিশ ফাঁড়ি, ঢাকা ওয়াসা, ডেসকো) জন্য নির্ধারিত টিআইএ এরিয়ায় আলাদা জায়গা বরাদ্দ রাখা আছে, যেন সরকার চাইলে সহজেই সেখানে অবকাঠামো স্থাপন করতে পারে।

পরিবেশবান্ধব আবাসন ও নাগরিক সুবিধা

রাজউকের নীতিমালা অনুযায়ী নাগরিক সুবিধার জন্য যে পরিমাণ জায়গা ছাড়তে হয়, আমরা তার চেয়েও ১০ থেকে ২০ শতাংশ বেশি দিচ্ছি। আমাদের প্রকল্পে নিজস্ব পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা এরই মধ্যে করা হয়েছে। বর্তমানে সারা বিশ্ব গ্রিন এনার্জির দিকে ঝুঁকছে। গ্রাহকেরা সচেতন হলে পুরো প্রকল্পকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার এবং পরিবেশবান্ধব করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা

আমাদের মূল লক্ষ্য হলো, আমাদের প্রকল্পে কেউ বসবাস শুরু করলে দৈনন্দিন কোনো প্রয়োজনে যেন তাঁকে সীমানার বাইরে যেতে না হয়। এর জন্য আমাদের এখানে ৫০০ শয্যার দুটি হাসপাতাল, আধুনিক চেইন সুপারশপ, একটি বেসরকারি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় এবং ‘রোকেয়া বেগম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

মধ্যবিত্তদের জন্য বিশেষ সুবিধা

একা জমি কেনার বা বাড়ি করার সামর্থ্য এখন অনেকেরই থাকে না। তাই আমরা যৌথ মালিকানার সুযোগ রেখেছি। ৫ থেকে ৮ জন বন্ধু বা পরিচিত ব্যক্তি মিলে একটি প্লট শেয়ারে কিনে নিজেরা ডেভেলপ করতে পারবেন। পাশাপাশি আমরা নিজেরাও সম্পূর্ণ জমি ডেভেলপ করে অ্যাপার্টমেন্ট সিস্টেমে আবাসন-সুবিধা দিচ্ছি। ক্রেতাদের সাধ্যের কথা বিবেচনা করেই আমাদের এই ব্যবসায়িক কৌশলগুলো সাজানো হয়েছে।