প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বেসরকারি খাতের পরামর্শক পরিষদ গঠন
দেশের শীর্ষস্থানীয় ৯ জন ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাকে নিয়ে বেসরকারি খাতবিষয়ক পরামর্শক পরিষদ বা কাউন্সিল গঠন করেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। আজ শনিবার নবগঠিত এই পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তেজগাঁও কার্যালয়ে। বৈঠকে দেশের ব্যবসা–বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী গভীর আলোচনা হয়েছে।
পরিষদের গঠন ও সদস্যবৃন্দ
বেসরকারি খাতের ৯ জন ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাকে নিয়ে নবগঠিত পরামর্শক পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর সদস্য সচিবের দায়িত্বে রয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। মোট ১১ সদস্যের এই পরিষদের বাকি ৯ সদস্য হলেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী এসিআইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আরিফ দৌলা, এপেক্স ফুটওয়্যারের এমডি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, রানার গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান খান, প্রাণ–আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী, বে গ্রুপের এমডি জিয়াউর রহমান, ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের এমডি আব্দুল মুক্তাদির, ডিবিএল গ্রুপের এমডি আব্দুল জব্বার, র্যাংগস গ্রুপের এমডি সোহানা রউফ চৌধুরী ও প্যাসিফিক জিনসের এমডি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর।
প্রথম বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও আলোচনা
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আজ শনিবার অনুষ্ঠিত পরিষদের প্রথম সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে— প্রতি তিন মাস পরপর ব্যবসা–বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিভিন্ন সমস্যা ও করণীয় নিয়ে নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হবে। এসব সভায় সামগ্রিক ব্যবসার চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি খাতভিত্তিক বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা এবং করণীয় বিষয়ে মতামত তুলে ধরবেন পরিষদের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা সদস্যরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এপেক্স ফুটওয়্যারের এমডি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারের সংযোগ বাড়ানোর অংশ হিসেবে এই পরিষদ গঠন ও বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এটি সবে শুরু। সরকারের এই উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। তিন মাস পরপর পরিষদের বৈঠক হবে। আগামী সময়ে বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ীদের মতামতের ভিত্তিতে তাঁদের সমস্যাগুলোও আমরা তুলে ধরব। আজকের বৈঠকে আমরা ব্যবসা–বাণিজ্যের বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছি। আমরা বলেছি, বিদ্যমান সমস্যার সমাধান করা গেলে বিনিয়োগ ও ব্যবসা–বাণিজ্য পরিস্থিতির উন্নতি হবে।’
এই পরিষদ গঠনের মাধ্যমে সরকার বেসরকারি খাতের সঙ্গে সরাসরি সংলাপ জোরদার করতে চাইছে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।



