বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল এক ধাপে বাস্তবায়নের দাবি কর্মচারী ফেডারেশনের
বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল এক ধাপে বাস্তবায়নের দাবি

সরকারি কর্মচারীদের জন্য গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল এক ধাপে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন। সংগঠনটির নেতারা বলেছেন, আসন্ন জাতীয় বাজেটে এ জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না রাখা হলে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

মৌন মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত মৌন মিছিল ও সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তুলে ধরেন ফেডারেশনের চেয়ারম্যান মো. সেলিম মিয়া। তিনি বলেন, অষ্টম পে-স্কেল কার্যকরের পর এক দশকের বেশি সময় পার হলেও নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির চাপে কর্মচারীরা আর্থিক সংকটে রয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, চলতি বছরের মধ্যেই নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করে তা এক ধাপে কার্যকর করা হবে।

ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাবে হতাশা

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি নবম পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের আলোচনা কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করেছে। দীর্ঘ ১১ বছর অপেক্ষার পর আবারও কয়েক ধাপে বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ফেডারেশনের নির্দিষ্ট দাবি

ফেডারেশনের পক্ষ থেকে কয়েকটি নির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে— জুন ২০২৬-এর মধ্যে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ, জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকারিতা নির্ধারণ, গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে বেতন বৈষম্য হ্রাস, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল এবং চাকরিকালজুড়ে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট চালু রাখা।

সংগঠনের নেতারা বলেন, বাজারদর, মূল্যস্ফীতি এবং একটি পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে বাস্তবসম্মত ও ন্যায়সঙ্গত বেতন কাঠামো প্রণয়ন করতে হবে। তারা দাবি করেন, দেশের প্রায় ১৯ লাখ সরকারি কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে নতুন পে-স্কেলের অপেক্ষায় রয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হুঁশিয়ারি: বাজেটে বরাদ্দ না পেলে কঠোর আন্দোলন

সংবাদ সম্মেলনে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, আসন্ন বাজেটে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ এবং সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা না করা হলে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব মো. জামাল উদ্দিন, মূখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী, বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের প্রধান উপদেষ্টা মহিউদ্দিন খন্দকার, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি এম এ হান্নান ও মহাসচিব বেল্লাল হোসেন, কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খায়ের আহম্মেদ মজুমদার, মাহামুদুল হাসান, খায়রুন্নাহার লিপি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতির সভাপতি ছারোয়ার মোর্শেদ, আহ্বায়ক মো. মোশারফ হোসেন প্রমুখ।