ইসলামী ব্যাংকের স্থিতিশীলতা জাতীয় অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলাদেশ ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকের স্থিতিশীলতা জাতীয় অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির বোর্ড বিষয়ক অনুমোদিত প্রতিনিধি মোহাম্মদ জহির হোসেন ব্যাংকটির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ তারিখে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা সরাসরি অংশগ্রহণ করেন, অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন শাখা ও উপশাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যুক্ত হন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আলতাফ হোসেন। এছাড়া অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার ও এম কামাল উদ্দিন জসিম বক্তব্য রাখেন।

মোহাম্মদ জহির হোসেন বলেন, “ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থায় একটি পদ্ধতিগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক। এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের আমদানি-রপ্তানি, রেমিট্যান্স, বৈদেশিক বাণিজ্য, লক্ষ লক্ষ উদ্যোক্তার ব্যবসা এবং কোটি কোটি মানুষের আর্থিক কার্যক্রমের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। তাই ইসলামী ব্যাংকের স্থিতিশীলতা শুধু আমাদের প্রতিষ্ঠানের বিষয় নয়, এটি জাতীয় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও বলেন, এই ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সততা, দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং নিরলস পরিশ্রমের কারণে ইসলামী ব্যাংক শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরেও একটি অনুকরণীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে এই ব্যাংক নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি কখনো হারিয়ে যায় না; সঠিক নেতৃত্ব, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সেই শক্তি পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং দেশের সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতায় ব্যাংকের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সময়মতো একটি শক্তিশালী, দক্ষ ও গ্রহণযোগ্য পরিচালনা পর্ষদ গঠনের প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হবে।”