একীভূত হওয়া শরীয়াহ্ভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম অধিবেশনের ১৮তম দিনে অর্থমন্ত্রী তার সমাপনী বক্তব্যে এ অবস্থান স্পষ্ট করেন। এসময় সংসদের বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সভাপতিত্ব করেন।
সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার আমানতকারীদের স্বার্থ
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট আলোচনায় সমাপনী বক্তব্যে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়টি তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত আমানত রক্ষাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য।”
আমানত উত্তোলনের শর্ত ও মানবিক ছাড়
অর্থমন্ত্রী জানান, একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের ব্যক্তিগত আমানতকারীরা তাদের চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে আপাতত ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন, যার জন্য ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হিসাবের অবশিষ্ট টাকা আমানতকারীদের ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে আমানতকারীদের জন্য মানবিক দিক বিবেচনা করে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। কিডনি ডায়ালাইসিস, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন জটিল ও ব্যয়বহুল রোগে আক্রান্ত আমানতকারী এবং যারা হজের উদ্দেশ্যে সঞ্চয় করেছিলেন, তাদের জন্য বিশেষ মানবিক ছাড়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া ডিপিএস হিসাবের ক্ষেত্রেও ২ লাখ টাকা পর্যন্ত তাৎক্ষণিক উত্তোলন যোগ্য থাকবে এবং বাকি অংশ প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তীতে পরিশোধ করা হবে।



