ইসলামী ব্যাংকের ত্রৈমাসিক সম্মেলনে ব্যবসা উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আলোচনা
ইসলামী ব্যাংকের ত্রৈমাসিক ব্যবসা উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৯টি জোন ও ৪টি করপোরেট শাখার ত্রৈমাসিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার, ৮ এপ্রিল তারিখে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনটি আয়োজিত হয়। ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময়ের কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয়।

উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ

এই সম্মেলনে ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন, মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার এবং ড. এম কামাল উদ্দীন জসীমসহ ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টরবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও, প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী কর্মকর্তা, ৯টি জোনের জোনপ্রধান এবং ৪টি করপোরেট শাখার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এই ব্যাপক উপস্থিতি ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও উন্নয়ন প্রচেষ্টার প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটায়।

ম্যানেজিং ডাইরেক্টরের বক্তব্য

সভাপতির বক্তব্যে ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. ওমর ফারুক খাঁন ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাকালীন দুটি মূল স্লোগানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইসলামী শরী’আহ মোতাবেক পরিচালিত এবং কল্যাণমুখী ব্যাংকিং ধারার প্রবর্তক এই দুটি স্লোগান আজও ব্যাংকের পথচলার মূল আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করছে। তিনি ব্যাংকের ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের প্রতি অবিচল থাকার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ভবিষ্যৎ নির্দেশনা

সম্মেলনে ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আরও বলেন, ব্যাংককে আমদানি-রফতানি কার্যক্রমসহ ব্যবসা সম্প্রসারণে মনোনিবেশ করতে হবে। তিনি প্রযুক্তিনির্ভর রেমিট্যান্স সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দেন। এছাড়াও, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইসলামী ব্যাংককে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। এই নির্দেশনাগুলো ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কৌশল ও লক্ষ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ত্রৈমাসিক সম্মেলন ইসলামী ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রণয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ব্যাংকের নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টা দেশের আর্থিক খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।