বাজুসের সিদ্ধান্তে স্বর্ণের দাম কমল, ২২ ক্যারেট ভরিতে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৬ টাকা
বাজুসের সিদ্ধান্তে স্বর্ণের দাম কমল, ২২ ক্যারেট ভরিতে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৬ টাকা

বাজুসের সিদ্ধান্তে স্বর্ণের দাম কমল, নতুন মূল্য তালিকা কার্যকর

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবী স্বর্ণ ও রৌপ্যের দাম কমে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে এই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৮ টাকা, যা বর্তমান মূল্যের তুলনায় বেশি ছিল।

বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম

বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ লাখ ২ হাজার ৮৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৩৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি গ্রাম হিসেবেও দাম নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত স্বর্ণের দাম ২১ হাজার ২৬০ টাকা এবং ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২০ হাজার ২৯৫ টাকা।

রৌপালংকারের দামও নির্ধারণ

নতুন সিদ্ধান্তে রৌপালংকারের দামও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতি গ্রাম ২২ ক্যারেট রূপার দাম ৪৯০ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রূপা ৩০০ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট সংগ্রহ করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সভা ও কার্যকর হওয়ার সময়

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক জরুরি সভা বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়, যা বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাজারে স্বর্ণ ও রৌপালংকারের দাম স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব দেশীয় বাজারে কমানোর জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।