ট্রাস্ট ব্যাংক ও আসথা লাইফের মধ্যে ক্রেডিট শিল্ড চুক্তি স্বাক্ষরিত
ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি সম্প্রতি আসথা লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, যার মাধ্যমে ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য ক্রেডিট শিল্ড কভারেজ চালু করা হবে। এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তাদের পরিবারকে সহায়তা করবে।
চুক্তি স্বাক্ষর ও উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ
চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান জামান চৌধুরী এবং আসথা লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহ সাগিরুল ইসলাম (অব.)-এর মধ্যে। উভয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে একটি নতুন যুগের সূচনা হয়েছে, যা গ্রাহকদের জন্য আরও নিরাপত্তা নিয়ে আসবে।
ক্রেডিট শিল্ড কভারেজের সুবিধাসমূহ
এই চুক্তির আওতায় ট্রাস্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারীদের জন্য নিম্নলিখিত আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করা হবে:
- প্রাকৃতিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে বকেয়া দেনা পরিশোধ করা হবে।
- দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর ঘটনায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
- স্থায়ী সম্পূর্ণ অক্ষমতার মতো পরিস্থিতিতে আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।
- নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে মনোনীত ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করা হবে।
এই ব্যবস্থাটি গ্রাহকদের জন্য একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে, যাতে তারা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় আর্থিক চাপ থেকে মুক্ত থাকতে পারেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ও প্রতিক্রিয়া
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন, যা এই অংশীদারিত্বের গুরুত্বকে আরও বৃদ্ধি করেছে। ট্রাস্ট ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই চুক্তি প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহকদের জন্য উদ্ভাবনী ও সুরক্ষামূলক আর্থিক সমাধান প্রদানের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
আসথা লাইফ ইনস্যুরেন্স লিমিটেডের প্রতিনিধিরাও এই অংশীদারিত্বকে একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা বাংলাদেশের আর্থিক খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
গ্রাহকদের জন্য এর গুরুত্ব
এই ক্রেডিট শিল্ড কভারেজ গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে। এটি শুধুমাত্র আর্থিক দায়িত্বই নয়, বরং মানসিক শান্তিও প্রদান করবে, যাতে গ্রাহকরা তাদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে আরও আত্মবিশ্বাসী হতে পারেন।
ট্রাস্ট ব্যাংকের এই উদ্যোগটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে গ্রাহক-কেন্দ্রিক সেবা প্রদানের প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।



