সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি) বুধবার স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে। মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৪৩৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সিসিজিপি সভা
সিসিজিপির সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির হাসান মাহমুদ চৌধুরী। সভায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। প্রস্তাবটি পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস, ২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুযায়ী আন্তর্জাতিক দরপত্র পদ্ধতিতে উত্থাপন করা হয়।
দুই কার্গো এলএনজি কারা সরবরাহ করবে?
প্রস্তাব অনুযায়ী, একটি এলএনজি কার্গো সরবরাহ করবে বিপি সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড এবং অপরটি সরবরাহ করবে টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড, যুক্তরাজ্য।
এছাড়া সিসিজিপি রাশিয়া ও কানাডা থেকে মোট ৭৫ হাজার টন মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সার আমদানির দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৩৫১ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
রাশিয়া থেকে সার আমদানি
কমিটি রাশিয়া থেকে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) চুক্তির আওতায় ৩৫ হাজার টন (±১০%) এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেয়। এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় জেএসসি ফরেন ইকোনমিক কর্পোরেশন (প্রোডিন্টর্গ) এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর মধ্যে। প্রতি টন সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮০ ডলার। মোট ব্যয় ১৬৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা।
কানাডা থেকে সার আমদানি
এছাড়া কানাডিয়ান কমার্শিয়াল কর্পোরেশন (সিসিসি) এবং বিএডিসি-র মধ্যে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার টন (±১০%) এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতেও প্রতি টন সারের দাম ৩৮০ ডলার। মোট ব্যয় ১৮৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। কমিটি কানাডিয়ান কমার্শিয়াল কর্পোরেশনকে চুক্তিটি প্রদান করে।



