ভারত থেকে আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি: পার্বতীপুর ডিপোতে সরবরাহ অব্যাহত
বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিত ডিজেল আমদানি অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি, নীলফামারী জেলার পার্বতীপুর ডিপোতে ভারত থেকে আরও ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানি করা হয়েছে। পদ্মা অয়েল পিএলসি’র পার্বতীপুর ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) মো. আহসান হাবিব চৌধুরী বুধবার (১ এপ্রিল) বিকালে বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পাইপলাইন প্রকল্পের মাধ্যমে সরবরাহ
গত ২৮ মার্চ থেকে আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে পাইপলাইনে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়। পরবর্তীতে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পের রিসিপ্ট টার্মিনালের মাধ্যমে ৭ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পার্বতীপুর ডিপোতে পৌঁছে। এই আমদানির মাধ্যমে পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে মোট ডিজেল আমদানি ১৭ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।
এর আগে, গত ১১ ও ২৩ মার্চ দুই দফায় একই পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫ হাজার করে মোট ১০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বাংলাদেশে এসেছিল। সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
ডিলারদের মধ্যে বিতরণ শুরু
আমদানিকৃত ডিজেল বুধবার দুপুর থেকে ডিলারদের মধ্যে বিতরণ শুরু হয়েছে। জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকারি নির্দেশনায় শুক্রবার ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়েছে। তালিকাভুক্ত ডিলারদের মাঝে নিয়মিতভাবে তেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে, যা বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক হচ্ছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পার্বতীপুর ডিপোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তাদের উপস্থিতিতে ডিলারদের মধ্যে তেল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই ব্যবস্থা জ্বালানি তেলের চোরাচালান ও অন্যান্য অনিয়ম রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিয়েছেন।
সরকারের এই পদক্ষেপ জ্বালানি খাতের স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।



