যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৬২ হাজার টন গমের দ্বিতীয় চালান চট্টগ্রাম বন্দরে
যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরকার-থেকে-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় ৬২,১৫০ মেট্রিক টন গমের একটি চালান শুক্রবার চট্টগ্রাম বন্দরের বাইরের নোঙ্গরে পৌঁছেছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এটি এই চুক্তির অধীনে দ্বিতীয় চালান, যার আগের চালানে ৫৮,৪৫৭ মেট্রিক টন গম সরবরাহ করা হয়েছিল।
গমের নমুনা পরীক্ষা শুরু
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা গমের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। একইসাথে, মালামাল দ্রুত খালাস করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও চলছে। মোট গমের মধ্যে ৩৭,২৯০ মেট্রিক টন চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস করা হবে, আর বাকি ২৪,৮৬০ মেট্রিক টন মংলা বন্দরে নামানো হবে।
পূর্বের জি-টু-জি চুক্তির আমদানি
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, বাংলাদেশ পূর্ববর্তী সরকার-থেকে-সরকার চুক্তির মাধ্যমে ইতিমধ্যেই মোট ৪৬৭,৮৮৪ মেট্রিক টন গম আমদানি করেছে। এর মধ্যে জি-টু-জি-০১ চুক্তির অধীনে ২৩৭,৮৪৫ টন এবং জি-টু-জি-০২ চুক্তির অধীনে ২৩০,০৩৯ টন গম আমদানি করা হয়েছে।
দেশের গমের চাহিদা ও উৎপাদন
বাংলাদেশের বার্ষিক গমের চাহিদা প্রায় ৭০ লক্ষ মেট্রিক টন হিসেবে অনুমান করা হয়। অন্যদিকে, দেশে গমের উৎপাদন প্রায় ১০ লক্ষ টন, যা চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। এই ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি খাত উভয়ের মাধ্যমে আমদানির প্রয়োজন পড়ে। গম আমদানি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, বিশেষ করে স্থানীয় উৎপাদনের সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষাপটে।



