ঈদুল ফিতরে সোনামসজিদ বন্দরে ১০ দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্থগিত
শিবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দরে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১০ দিনের জন্য সমস্ত ধরনের পণ্য আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই ছুটির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এই সময়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
ছুটির সময়সূচি ও কার্যক্রমের বিস্তারিত
সোনামসজিদ আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইতির স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে এই ছুটির বিষয়টি প্রকাশ করা হয়েছে। চিঠি অনুসারে, আগামী বুধবার, ১৮ মার্চ থেকে শুরু হয়ে শুক্রবার, ২৭ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিন বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ২৮ মার্চ, শনিবার থেকে বন্দরের নিয়মিত কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান এবং পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান উল্লেখ করেছেন যে, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও বন্দরে আগে থেকে জমা থাকা পণ্যবাহী ট্রাকগুলোর লোডিং, আনলোডিং এবং পরিবহন সংক্রান্ত অন্যান্য কাজ সীমিত আকারে চলতে থাকবে। এই ব্যবস্থা বন্দরের জমে থাকা পণ্য সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
যাত্রী যাতায়াত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা
সোনামসজিদ স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা এসআই জামিরুল ইসলাম স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, এই ছুটির সময়েও সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকবে। এই ব্যবস্থা ঈদের সময়ে পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করার জন্য যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করবে। কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানানো হয়েছে।
এই ছুটির সিদ্ধান্তটি পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসবকে সামনে রেখে নেওয়া হয়েছে, যা বন্দর কর্মীদের জন্য বিশ্রাম ও পরিবারের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ সৃষ্টি করবে। একই সাথে, এটি বন্দরের কার্যক্রমের সাময়িক বিরতি দিয়ে ভবিষ্যতে আরও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পরিবহন খাতের সাথে সমন্বয় করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ঈদের সময়ে বন্দরের সামগ্রিক পরিচালনাকে সহজতর করবে।
