ঈদুল ফিতরে হিলি স্থলবন্দরে ১০ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক
হিলি বন্দরে ঈদে ১০ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

ঈদুল ফিতরে হিলি স্থলবন্দরে ১০ দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে আগামী ১৮ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত টানা ১০ দিন আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। তবে এই সময়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আসা-যাওয়া স্বাভাবিকভাবে চলবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছেন।

বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত

হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. শাহিনুর ইসলাম মন্ডল শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ‘ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সংগঠনের জরুরি সভায় ১৮-২৭ মার্চ পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরের মাধ্যমে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘এই সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে ভারতের ব্যবসায়ীদের পত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। ফলে এ সময়ে বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমসহ বেসরকারি ওয়্যারহাইজ পানামা পোর্টের অভ্যন্তরে পণ্য লোড-আনলোডও বন্ধ থাকবে।’

যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে

হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম জানান, ‘বন্দরে সীমান্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আসা-যাওয়া স্বাভাবিক থাকবে। সপ্তাহের সাতদিনই ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম চালু থাকে।’ এই ব্যবস্থা ঈদের সময়ে পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করার সুযোগ দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কার্যক্রম পুনরায় শুরু

অধ্যাপক শাহিনুর ইসলাম মন্ডল বলেন, ‘আগামী ২৮ মার্চ থেকে পুনরায় এই বন্দরের সকল কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমানে রমজানে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।’ হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আমীর হামজা যোগ করেন, ‘সরকারি ছুটির কারণে এ সময়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে সরকারি ছুটি ব্যতীত দিনগুলিতে কাস্টমস অফিসের দাপ্তরিক কাজ চালু থাকবে।’

বেসরকারি সূত্রের বক্তব্য

বন্দরের বেসরকারি ওয়্যারহাইজ পানামা পোর্ট সূত্র জানায়, ঈদের টানা ১০ দিনের ছুটিতে বাণিজ্য কার্যক্রম বন্ধের পর ২৮ মার্চ থেকে আবারও স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে। এতে করে হিলি স্থলবন্দর তার স্বাভাবিক কার্যচাঞ্চল্যে ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য ঈদের ছুটি উপভোগ করার সুযোগ সৃষ্টি করবে, পাশাপাশি যাত্রী চলাচল নির্বিঘ্ন রাখবে।