ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি যানবাহন চলাচল করছে। বাস ছাড়াও ট্রাক, পিকআপভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষ বাড়ি ফিরছেন ঈদ করতে পরিবারের সঙ্গে। তবে সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও তেমন যানজট দেখা যায়নি, যদিও যানবাহনের গতি কিছুটা কম ছিল।
২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ৩ কোটি ১৫ লাখ টাকা
যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত) সেতুটি দিয়ে মোট ৩৯ হাজার ৯১৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন ছিল ২২ হাজার ১১২টি, যা থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ ৯৪ হাজার ৩৫০ টাকা। অপর দিকে ঢাকাগামী যানবাহন ছিল ১৭ হাজার ৮০৭টি, যার বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ ৩৬ হাজার ৭৫০ টাকা। মোট টোল আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ১০০ টাকা।
টোল বুথের ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রম
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন সোমবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঈদযাত্রা উপলক্ষে যমুনা সেতুর উভয় পাশে ৯টি করে মোট ১৮টি টোল বুথ চালু রয়েছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা দুটি করে বুথ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ সার্বক্ষণিক টোল আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
টোল আদায়ের ইতিহাস ও বর্তমান অবস্থা
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে যমুনা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করে আসছে। পূর্বে কমিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক (সিএনএস) টোল আদায় করলেও সরকার পরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে বর্তমানে চায়না রোড ব্রিজ করপোরেশন এই দায়িত্ব পালন করছে। ঈদুল আজহার আগে সেতুতে যানবাহনের চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



