অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু, ২০২৮ সালে দেখা যাবে
অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আইওসির নির্বাহী বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নেয় এবং প্রস্তাবটি অক্টোবরে মুম্বাইতে অনুষ্ঠেয় আইওসি অধিবেশনে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

ক্রিকেটের অলিম্পিক যাত্রা শুরু

আইওসির নির্বাহী বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৮ অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রস্তাবটি অক্টোবরে মুম্বাইতে অনুষ্ঠেয় আইওসি অধিবেশনে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। আইওসি সভাপতি টমাস বাখ বলেছেন, "ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় খেলা এবং এর অলিম্পিক অন্তর্ভুক্তি অলিম্পিক আন্দোলনের জন্য একটি বড় অর্জন হবে।"

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অংশগ্রহণ

প্রস্তাবিত ফরম্যাটে পুরুষ ও মহিলা দল টি-টোয়েন্টি সংস্করণে অংশ নেবে। প্রতিটি বিভাগে ছয়টি করে দল অংশগ্রহণ করবে। আইসিসি ইতিমধ্যে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আশা প্রকাশ করেছে যে এটি ক্রিকেটের বিশ্বব্যাপী প্রসারে সহায়ক হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আইওসি অধিবেশনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

আইওসি সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে অক্টোবরে মুম্বাই অধিবেশনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে যে প্রস্তাবটি সহজেই পাস হবে। ক্রিকেট সর্বশেষ ১৯০০ প্যারিস অলিম্পিকে অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১২৮ বছর পর আবার অলিম্পিকে ফিরতে চলেছে খেলাটি।

ক্রিকেটের অলিম্পিক ইতিহাস

ক্রিকেট ১৯০০ প্যারিস অলিম্পিকে একবারই অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল, যেখানে শুধুমাত্র দুটি দল (গ্রেট ব্রিটেন ও ফ্রান্স) অংশ নিয়েছিল। গ্রেট ব্রিটেন স্বর্ণপদক জিতেছিল। এরপর থেকে ক্রিকেট আর অলিম্পিকে স্থান পায়নি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বিশ্বব্যাপী প্রতিক্রিয়া

আইসিসি চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলে বলেছেন, "এটি ক্রিকেটের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্তি খেলাটির বিশ্বব্যাপী প্রসার এবং জনপ্রিয়তা বাড়াবে।" ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সচিব জয় শাহ বলেছেন, "আমরা আইওসির এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই এবং আশা করি অক্টোবরে চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে।"

অলিম্পিক আন্দোলনে প্রভাব

ক্রিকেটের অলিম্পিক অন্তর্ভুক্তি অলিম্পিক আন্দোলনের জন্য একটি বড় অর্জন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি অলিম্পিকের দর্শকসংখ্যা বাড়াতে এবং নতুন দেশে অলিম্পিক আন্দোলন ছড়িয়ে দিতে সহায়ক হবে।