বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আট দল জায়গা করে নিয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হবে হেভিওয়েট লড়াই। এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অন্যতম দাবিদার ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে মরক্কো। স্পেনের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম। নরওয়ের বিপক্ষে খেলবে ইংল্যান্ড। আর সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা।
ফ্রান্স বনাম মরক্কো
শক্তিশালী ফ্রান্স গ্রুপ পর্বে সহজেই জয় পেয়েছে এবং সুইডেনকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়েকে কষ্টে হারিয়েছে। দিদিয়ের দেশমের দলের আক্রমণে কাইলিয়ান এমবাপে, উসমান ডেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা এবং মাইকেল ওলিসের মতো তারকা রয়েছে। তবে অপরাজিত মরক্কো নেদারল্যান্ডসকে পেনাল্টিতে হারিয়ে এবং সহ-আয়োজক কানাডাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে এসেছে। বস্টনে এই ম্যাচে চার বছর আগে কাতারে সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হারের প্রতিশোধ নিতে চায় মরক্কো। ২০২২ সালে প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে সেমিফাইনালে ওঠার ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো।
স্পেন বনাম বেলজিয়াম
স্পেন পর্তুগালকে ১-০ হারিয়ে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে টানা ছয়টি বিশ্বকাপ ক্লিন শিটের রেকর্ড গড়েছে। লুইস দে লা ফুয়েন্তের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা বল দখলে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। বার্সেলোনার তারকা লামিনে ইয়ামাল পাঁচ ম্যাচে এক গোল করলেও মিকেল ওয়ারজাবাল চার গোল করেছেন। অন্যদিকে বেলজিয়াম লস অ্যাঞ্জেলেসে সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে হারিয়ে এসেছে। শেষ ষোলোয় সেনেগালের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ জেতে তারা। কেভিন ডি ব্রুইনা ও রোমেলু লুকাকুর মতো স্বর্ণযুগের খেলোয়াড়দের জন্য এটি শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে।
নরওয়ে বনাম ইংল্যান্ড
ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডাররা প্রিমিয়ার লিগে নরওয়ের স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ডের মুখোমুখি হতে অভ্যস্ত, কিন্তু তাকে থামানো কঠিন। থমাস টুখেলের দল দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিততে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছে। অধিনায়ক হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম এখন পর্যন্ত ১১ গোলের মধ্যে দশটি করেছেন। মেক্সিকোর বিপক্ষে ১০ জন হয়েও ৩-২ জেতে ইংল্যান্ড। মিয়ামিতে হলান্ডের মুখোমুখি হবে তারা, যিনি সাত গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে রয়েছেন। নরওয়ের হয়ে শেষ ১৪টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ২৭ গোল করেছেন তিনি।
আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড
লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা দুটি ভয়ঙ্কর ম্যাচ কাটিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে এসেছে। বিশ্বকাপে অভিষেক কেপ ভার্দেকে অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ হারায় তারা। শেষ ষোলোয় মিশরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও মেসির নেতৃত্বে অসাধারণ কামব্যাক করে। কোচ লিওনেল স্কালোনি জানেন ভাগ্যের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। কানসাস সিটিতে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে তারা, যারা কলম্বিয়াকে পেনাল্টিতে হারিয়ে ১৯৫৪ সালের পর প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। সংগঠিত সুইজারল্যান্ডকে ভাঙা কঠিন হবে।



