ব্রাজিলের প্রভাবশালী গণমাধ্যম গ্লোবোর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপে পর্তুগালের ২৬ সদস্যের স্কোয়াডের মধ্যে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করেন মাত্র চারজন সতীর্থকে। তারা হলেন দিওগো দালোত, জোয়াও কান্সেলো, রাফায়েল লেয়াও এবং ব্রুনো ফার্নান্দেজ।
বিশ্বকাপে ব্যর্থতা ও ড্রেসিংরুমের গুঞ্জন
তারকাবহুল দল নিয়েও ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি পর্তুগাল। শেষ ষোলোতে স্পেনের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয় রোনালদোদের। তবে মাঠের ব্যর্থতার পাশাপাশি পুরো আসরজুড়েই আলোচনায় ছিল দলের ভেতরের সম্পর্ক ও ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়ে নানা গুঞ্জন। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর সেই আলোচনা আবারও নতুন করে সামনে এসেছে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি জরিপকে ঘিরে।
ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ারের পরিসংখ্যান
ইনস্টাগ্রামে পর্তুগাল জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা একে অপরকে কতজন অনুসরণ করেন, তার একটি পরিসংখ্যান সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে। আর সেখানে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন দলটির অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। প্রকাশিত জরিপে দেখা যায়, পর্তুগাল দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই প্রায় পুরো স্কোয়াডকে ইনস্টাগ্রামে অনুসরণ করছেন। সেই তুলনায় সতীর্থদের ফলো করার সংখ্যার দিক থেকে রোনালদো রয়েছেন সবার নিচে।
অন্যদিকে দলের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে একেবারেই ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজ এবং গোলরক্ষক হোসে সার ক্ষেত্রে। তারা দুজনই বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ২৬ জন সতীর্থকেই অনুসরণ করেন। তাদের পরেই রয়েছেন নেলসন সেমেদো ও ভিতিনিয়া, যারা অনুসরণ করছেন দলের ২৪ জন করে খেলোয়াড়কে।
রোনালদোর আনফলো করা নিয়ে অনিশ্চয়তা
তবে রোনালদো আগে আরও বেশি সতীর্থকে অনুসরণ করতেন কি না, কিংবা বিশ্বকাপ শেষে কাউকে আনফলো করেছেন কি না—সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই পরিসংখ্যান নতুন করে পর্তুগাল দলের অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা তৈরি করলেও, রোনালদোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।



