মরক্কোর সাইবারির ৭১ সেকেন্ডে বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল
মরক্কোর সাইবারির ৭১ সেকেন্ডে দ্রুততম গোল

খেলা শুরুর মাত্র ৭১ সেকেন্ডের মাথায় চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়লেন মরক্কোর অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ইসমায়েল সাইবারি। পুরো ম্যাচে আর কোনো গোল না হওয়ায় স্কটল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে হারাল মরক্কো।

ম্যাচের মূল ঘটনা

বোস্টন স্টেডিয়ামে শনিবার (২০ জুন) ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচটির দ্বিতীয় মিনিটেই জালের দেখা পান সাইবারি, যা চলমান আসরের দ্রুততম গোলের নতুন রেকর্ড হয়ে গেছে। আশরাফ হাকিমিদের জয়ে সুবিধা হয়েছে ‘সি’ গ্রুপের অন্যতম বড় দল ব্রাজিলের। মরক্কোর সঙ্গে ড্র করা ব্রাজিলকে গ্রুপের শীর্ষে থাকতে এই ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারতেই হতো।

ব্রাজিলের জন্য সুবিধা

তাতে পরের পর্বে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে সেলেসাওদের। নকআউট পর্বে ‘এফ’ গ্রুপের দলগুলোর মুখোমুখি হবে ‘সি’ গ্রুপের দল। মরক্কো-স্কটল্যান্ড ম্যাচের ওপর নির্ভর করছিল ব্রাজিলকে গ্রুপের শীর্ষস্থানে উঠতে রাখতে কতটা কঠিন লড়াই করতে হবে। একইসঙ্গে নকআউট পর্বে তারা সহজ নাকি কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে সেটিও নির্ধারিত হবে এই ম্যাচের ওপর। যদিও ব্রাজিলকে তাদের ভাগ্য নির্ধারণে নিজেদেরই লড়াই করে জয় নিশ্চিত করতে হবে। এরপর একাধিক দলের পয়েন্ট সমান হলে দেখা হবে গোল ব্যবধান। মরক্কোর এই ম্যাচও ড্র হলে সমীকরণ কিছুটা জটিল হতো।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গোলের বিবরণ

ফক্সবোরোর বোস্টন স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই স্কটল্যান্ডের দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক গলে এগিয়ে যান সাইবারি। এরপর ব্রাহিম দিয়াজ চমৎকার একটি লব পাস বাড়িয়ে দেন তার উদ্দেশে। বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সাইবারি শক্তিশালী শটে জাল কাঁপান। স্কটিশ গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গুন কোনোভাবেই সেই শট ঠেকাতে পারেননি। সাইবারি আফ্রিকার দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচেই গোল করলেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রথমার্ধের সুযোগ

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরার একটি ভালো সুযোগ পেয়েছিল স্কটল্যান্ড। অ্যান্ডি রবার্টসনের ক্রস থেকে জন ম্যাকগিন পোস্টের কাছাকাছি অবস্থানে বল পেয়েও তাতে পা ছোঁয়াতে পারেননি। ম্যাচের ৫২তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিল মরক্কোও। আশরাফ হাকিমির কর্নার থেকে আসা বলে বিলাল এল খানুস হেড নিলেও অসাধারণ দক্ষতায় তা রুখে দেন গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গুন।

শেষ দিকের আক্রমণ

শেষ দিকে সমতাসূচক গোলের জন্য স্কটিশরা মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালায়। তবে সেই সুযোগে পাল্টা আক্রমণে মরক্কোও আরও দুটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু দু’বারই লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় ব্যবধান আর বাড়েনি। শেষ পর্যন্ত সাইবারির প্রথম মিনিটের গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিলো। ১-০ গোলের গুরুত্বপূর্ণ জয়ে নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করল মরক্কো। তারা এখন ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষ দল।