মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ৩-২ গোলের কামব্যাকের ম্যাচটি বিতর্কে ছেয়ে গেছে। রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত—গোল বাতিল, ফাউল না ধরা এবং পেনাল্টি না দেওয়া—সবই আর্জেন্টিনার পক্ষে যাওয়ায় মিশর ক্ষুব্ধ। ‘পাতানো ম্যাচ’ বলেও অভিযোগ উঠেছে।
মিশরের দ্বিতীয় গোল বাতিল নিয়ে বিতর্ক
সবচেয়ে বড় বিতর্ক মিশরের দ্বিতীয় গোলটি বাতিল নিয়ে। গোল হওয়ার পর ভিএআরে চেক করে রেফারি গোল বাতিল করেন, কারণ আগের মুহূর্তে আক্রমণে ফাউল ছিল বলে ধরা হয়। পর্তুগিজ কোচ হোসে মরিনহো এটিকে ‘দিনদুপুরে ডাকাতি’ বলে মন্তব্য করেন।
মরিনহো বলেন, ‘গোল হওয়ার পর সেটি বাতিল করা লজ্জাজনক। ফাউল হলে খেলা তখনই থামানো উচিত ছিল, গোল পর্যন্ত অপেক্ষা করা নয়।’ তার মতে, রেফারির দেরি করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পদ্ধতি ভুল।
আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনের প্রতিক্রিয়া
লিভারপুলের সাবেক তারকা জেমি ক্যারাঘার বলেন, ‘আমি নিশ্চিত এই গোলটি অন্য কোনো দলের বিপক্ষে হলে তা বাতিল করা হতো না। প্রিমিয়ার লিগ বা লা লিগায় এটি নিশ্চিত গোল ছিল।’ তার মতে, বড় দলের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা এখানেও দেখা গেছে।
মিশর কোচের ক্ষোভ
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মিশরের কোচ হোসাম হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি আজই বাড়ি ফিরে যাচ্ছি এবং এই টুর্নামেন্টের আর কোনো ম্যাচ আমি দেখব না। আমাদের সাথে যা হয়েছে তা মোটেও ন্যায্য নয়। আমাদের পেনাল্টি দেওয়া হয়নি, গোল বাতিল করা হয়েছে। আমি জানি না কেন এমনটা হলো।’
হাসানের এই মন্তব্যে ফুটবল বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। মিশর সমর্থকরাও সামাজিক মাধ্যমে রেফারির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছে।
আগামী ম্যাচের সূচি
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচগুলো ইতিমধ্যে নির্ধারিত। শুক্রবার ১০ জুলাই ২০২৬ রাত ২টায় ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচ জিলেট স্টেডিয়াম, ম্যাসাচুসেটসে অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার ১১ জুলাই ২০২৬ রাত ১টায় স্পেন-বেলজিয়াম ম্যাচ সোফি স্টেডিয়াম, লস অ্যাঞ্জেলেসে।



