ম্যাচ শেষে মরক্কোর ব্রাহিম দিয়াজকে সান্ত্বনা দিলেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। বোস্টনের জায়ান্ট স্ক্রিনে ভেসে উঠল ‘থ্যাংক ইউ’। ফ্রান্স ২-০ গোলে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।
ম্যাচের দুই রকম গল্প
গ্যালারির দুই প্রান্তে লেখা হচ্ছিল দুই রকম গল্প। এক পাশে ফরাসি সমর্থকদের বিজয়ের গান, অন্যপাশে মরক্কানদের নীরবতা। বাবার হাত ধরে আসা ছোট্ট মরক্কান শিশুটিও বুঝে গেছে আজ আর কোনো রূপকথা নেই।
মরক্কো কোচের প্রতিজ্ঞা
পরাজয়ের পর মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ উয়াহবি মাথা উঁচু করে বলেন, ‘আমরা শুধু একটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করি না। আমরা মরক্কোর মানুষের পাশাপাশি এশিয়া ও আফ্রিকার অনেক দেশের মানুষের স্বপ্ন বহন করি। অনেকেই এই দলে নিজেদের খুঁজে পান। আজ আমরা হেরেছি, কিন্তু ভবিষ্যতে শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে আমাদের কাজ থামবে না।’
ফরাসি কোচের সংযম
ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশমের কণ্ঠে পেশাদারিত্বের সুর, ‘আমরা ঠিক সেই জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে পৌঁছাতে চেয়েছিলাম। এখন নিজেদের পুনরুদ্ধার করব, তারপর ফাইনালের প্রস্তুতি নেব। ফ্রান্স জুড়ে নিশ্চয়ই এখন উৎসব চলছে। কিন্তু আমরা এখনো আমাদের কাজের মধ্যেই আছি। খেলোয়াড়দের দায়িত্ব যতটা সম্ভব এগিয়ে যাওয়া। আমরা একটি বড় বাধা পেরিয়ে এসেছি।’
এমবাপ্পের গোল ও বুনুর পেনাল্টি রক্ষা
৬০ মিনিটে এমবাপ্পে গোল করেন, এটি তার অষ্টম গোল। ছয় মিনিট পর উসমান দেম্বেলে দ্বিতীয় গোল করেন। ইয়াসিন বুনু ২৮ মিনিটে এমবাপ্পের পেনাল্টি শট ঠেকিয়ে দেন। বিশ্বকাপে টাইব্রেকারসহ নয়টি পেনাল্টির মুখোমুখি হয়ে বুনু মাত্র দুটি গোল হজম করেছেন; চারটি ঠেকিয়েছেন, তিনটি লক্ষ্যভ্রষ্ট। ১৯৬৬ সালের পর টাইব্রেকারসহ সর্বোচ্চ চারটি পেনাল্টি রক্ষার কীর্তিতে ইকার ক্যাসিয়াস ও ডমিনিক লিভাকোভিচদের পাশে নাম লিখিয়েছেন বুনু।
ফ্রান্সের ফাইনালে যাত্রা
প্রথমার্ধে মরক্কো গোছানো আক্রমণ করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও ফ্রান্সের আক্রমণের ধার সামলাতে পারেনি। ফ্রান্স এখন ফাইনালের প্রস্তুতি নিচ্ছে।



