জুড বেলিংহামের জোড়া গোলের সুবাদে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে। নরওয়ের জন্য এটি ছিল প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ আটে খেলা, কিন্তু ইংল্যান্ডের কাছে হেরে তাদের স্বপ্নযাত্রা থামে।
ম্যাচের শুরুতে নরওয়ে এগিয়ে
ম্যাচের শুরুটা দারুণ হয় নরওয়ের জন্য। আলেক্সান্ডার শেলডারুপ মাঝমাঠ থেকে বল কেড়ে নিয়ে বক্সের বাম দিক থেকে দুর্দান্ত এক শটে গোল করেন, যা গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড ঠেকাতে পারেননি। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে আলেক্সান্ডার শরলথের সুযোগ ছিল ফাঁকায় দাঁড়ানো আর্লিং হালান্ডকে পাস দেওয়ার, কিন্তু তিনি নিজেই শট নিতে চেয়ে ব্যর্থ হন।
বিরতির আগে বেলিংহামের সমতা
নরওয়ের এই সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয় একটু পরেই। এলিয়ট অ্যান্ডারসনের বাড়ানো বল ধরে অ্যান্থনি গর্ডন বক্সে ওঠেন এবং জুড বেলিংহামকে বল বাড়ান। বেলিংহাম একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দারুণভাবে বল জালে জড়ান। এর আগে হ্যারি কেইনের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলের সমতায়।
দ্বিতীয়ার্ধ ও অতিরিক্ত সময়
দ্বিতীয়ার্ধে নরওয়ে একটি গোল করলেও তা ফাউলের কারণে বাতিল হয়। ইংল্যান্ড বেশ কিছু সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেনি, ফলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অতিরিক্ত সময়ের নবম মিনিটে আবারও বেলিংহাম ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন, যা ছিল তার দ্বিতীয় গোল। এই গোলই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
ভিএআর বিতর্ক ও শেষ মুহূর্ত
শেষ দিকে জেড স্পেন্সের একটি দৌড় থেকে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি, কিন্তু ভিএআর দেখে সিদ্ধান্ত বদলান। রিপ্লেতে দেখা যায়, সংঘর্ষটি স্পেন্স নিজেই ইচ্ছাকৃতভাবে ঘটিয়েছিলেন, তাই পেনাল্টি বাতিল হয়ে নরওয়ে পায় ফ্রি কিক। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।
সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ
সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার কোয়ার্টার ফাইনালের বিজয়ী দল। আগামী ১৫ জুলাই ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে হবে সেই সেমিফাইনাল।



