লড়াকু মনোভাবের পুরস্কার পেল জাপান, ডাচদের আফসোস
লড়াকু মনোভাবের পুরস্কার পেল জাপান, ডাচদের আফসোস

জাপানকে বলা হচ্ছে বিশ্বকাপের ডার্ক হর্স। অর্থাৎ ভালো দিনে যে কাউকে থামিয়ে দেবে—অপ্রত্যাশিতভাবে। এই বিশেষণ বোধহয় নতুন করে লেখার সময় এসেছে। বিশেষ করে নেদারল্যান্ডসকে যেভাবে রুখে দিয়েছে এশিয়ান জায়ান্টরা, এরপর থেকে নামটা ঘুচে যাবে হয়ত।

ম্যাচের বর্ণনা

বিশ্বকাপে এফ গ্রুপের ম্যাচটিতে সব ছিল—আক্রমণ, প্রতি আক্রমণ, গোল, বল দখলের লড়াই। সব। কিন্তু এই খেলায় কেউ জেতেনি। জাপান লিখেছে প্রত্যাবর্তনের গল্প আর ডালাসের স্টেডিয়ামে আফসোসের হতাশায় ভুগছে ডাচরা।

হতাশ হওয়ার মতোই। দুইবার এগিয়ে গিয়েও পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে নেদারল্যান্ডসকে। তাও আবার ৮৯ মিনিটে হজম করতে হয়েছে গোল। জাপান অবশ্য খেলার ধরণ পাল্টে ছিল অনেকখানি। প্রথমার্ধে রক্ষণে মন দেওয়া জাপান গোল খাওয়ার পর পাল্টে যায়।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গোলের ধারাবাহিকতা

ম্যাচের ৫১ থেকে ৬৪ মিনিটের মধ্যে হয় তিনটি গোল। ম্যাচের ৫১ মিনিটে গ্রাভেনবার্গের ক্রসে দুর্দান্ত হেডে নেদারল্যান্ডসকে এগিয়ে দেন ফন ডাইক। মাত্র তিন মিনিট পরেই ডান পায়ের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ডাচদের স্তব্ধ করে দেন নাকামুরা। এরপর ৬৪ মিনিটে নেদারল্যান্ডসকে আবারও এগিয়ে দেন ক্রিসেনসিও সামারভিল। সবশেষ ম্যাচের ৮৯ মিনিটে দাইচি কামাদার গোলে হার এড়ায় জাপান।

জাপানের শক্তি

এই উত্তেজনাপূর্ণ গ্রুপ এফের প্রথম ম্যাচে জাপান তাদের সব গুণাবলি দেখিয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় তারা টুর্নামেন্টে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। দুইবার পিছিয়ে পড়লেও জাপান কখনোই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়নি। তারা দৃঢ়তা, লড়াকু মানসিকতা এবং নিরন্তর চাপ বজায় রেখে এমন এক পয়েন্ট আদায় করেছে, যা ভবিষ্যতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

ডাচ শিবিরে হতাশা

নেদারল্যান্ডস শিবিরে হতাশা থাকবে কোচ রোনাল্ড কোম্যান ও তার খেলোয়াড়দের মধ্যে, কারণ তারা দুইবার এগিয়ে গিয়েও সেই সুবিধা ধরে রাখতে পারেনি এবং শেষ পর্যন্ত ড্র মেনে নিতে হয়েছে। এই ড্র অনেকটা হারের কষ্ট দেবে!

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ