নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে আইভরিকোস্টের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়সূচক গোলটি করেছেন ৮৬ মিনিটে। এটি ছিল তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোল, যদিও এটি ছিল অন্যতম সহজ গোল—প্যাট্রিক বার্গের পাসে শুধু পা লাগিয়েছেন। এই জয়ের মাধ্যমে নরওয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করে।
হালান্ডের গোলের ধারা
চলতি বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচে ৫ গোল করেছেন হালান্ড। গোলদাতাদের তালিকায় তার ওপরে আছেন শুধু কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লিওনেল মেসি। আন্তর্জাতিক ফুটবলে হালান্ডের গোলসংখ্যা ৫৩ ম্যাচে ৬০টি, গড়ে প্রতি ৭২ মিনিটে একটি গোল। তবে তার প্রথম ৫৫টি গোলের একটিও বড় টুর্নামেন্টে আসেনি; ইউরোতে খেলার সুযোগ মেলেনি, বিশ্বকাপে খেলছেন এবারই প্রথম।
রোনালদোর রেকর্ডের তুলনা
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের হয়ে ২৩১ ম্যাচে ১৪৫ গোল করেছেন, গড়ে প্রতি ১.৫৯ ম্যাচে একটি। হালান্ডের গড় ০.৮৮ ম্যাচে একটি গোল। এই গতি ধরে রাখলে ১২৮ নম্বর ম্যাচেই তিনি রোনালদোর বর্তমান রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন। নরওয়ে যদি বছরে প্রায় ১০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে, তবে ৩২ বছর বয়সেই রেকর্ড ভাঙবেন হালান্ড।
ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
ধরুন, ২০৪০ সাল পর্যন্ত নরওয়ে প্রতিটি বড় টুর্নামেন্টে জায়গা করে নিয়েছে এবং হালান্ড সব ম্যাচেই খেলেছেন, তাহলে ৪১ বছর বয়সে তার আন্তর্জাতিক গোলসংখ্যা দাঁড়াবে ২৬০। এটি রোনালদোর বর্তমান ১৪৫ গোলের চেয়ে অনেক বেশি। হালান্ড বর্তমানে ২৫ বছর বয়সী এবং নরওয়ের হয়ে সর্বশেষ ১৩টি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের প্রতিটিতে গোল করেছেন, মোট ২৫টি গোল।
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ
ইতালিকে ৪-১ গোলে হারানোর ম্যাচে হালান্ড দুটি গোল করেন, যা নরওয়েকে ২০০০ সালের পর প্রথম বড় টুর্নামেন্টে (বিশ্বকাপ ২০২৬) জায়গা করে দিয়েছিল। বিশ্বকাপে ইরাকের বিপক্ষে দুটি এবং সেনেগালের বিপক্ষেও দুটি গোল করেন। ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে তাকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল, ফলে এমবাপ্পের সাথে লড়াইটি হয়নি।



