গোল হয়নি একটিও। কিন্তু ক্রসবার কেঁপেছে, হলুদ কার্ড বেরিয়েছে, আর মাঠ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে গনগনে উত্তেজনা। লিংকন ফিন্যান্সিয়াল ফিল্ডে বিরতি পর্যন্ত স্কোরলাইন ছিল ০-০।
প্রথমার্ধের সেরা সুযোগ
প্রথমার্ধের সবচেয়ে বড় সুযোগটি পেয়েছিল ইকুয়েডর। এনার ভালেন্সিয়া ফ্রি-কিক থেকে উঁচুতে লাফিয়ে হেড নেন — কিন্তু বল সরাসরি উপরে উঠে ক্রসবারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। মাঠের পাশে ইকুয়েডরের কোচ বেকাকেচে হাত মাথায় দেন।
আইভরি কোস্টের আক্রমণ
আইভরি কোস্টের ইয়ান দিওমান্দে বারবার ইকুয়েডরের রক্ষণে অস্বস্তি সৃষ্টি করেন — তবে শেষ মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।
রুক্ষ খেলা ও হলুদ কার্ড
ম্যাচ ক্রমশ রুক্ষ হয়ে ওঠে। আইভরি কোস্টের গুয়েলা দুয়ে এনার ভালেন্সিয়াকে দেরিতে ফাউল করে হলুদ কার্ড পান। তার পরপরই ফ্র্যাঙ্ক কেসিও হলুদ কার্ড দেখেন — সেকো ফোফানার পর দ্বিতীয় হলুদ। দ্বিতীয়ার্ধে এই দুই খেলোয়াড়কে সতর্ক থাকতে হবে।
গ্রুপের বর্তমান অবস্থা
জার্মানি ইতিমধ্যেই গ্রুপে ৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে। এই দুই দলের একজনকে জিততেই হবে জার্মানিকে টেক্কা দিতে। বিরতির পর কে আগে জেগে উঠবে — আফ্রিকার হাতি, নাকি দক্ষিণ আমেরিকার ত্রিরঙা?



