ইংল্যান্ডের গোল বিতর্কে মুখ খুলল ফিফা, বলছে কোনো প্রমাণ নেই
ইংল্যান্ডের গোল বিতর্কে মুখ খুলল ফিফা, প্রমাণ নেই

নরওয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ২-১ গোলের জয়ে সমতাসূচক গোল নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাব দিয়েছে ফিফা। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে এই গোলের আগে বল ক্যামেরার তার স্পর্শ করেছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। শনিবার এক বিবৃতিতে ফিফা জানিয়েছে, এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই।

গোলের বিবরণ ও বিতর্কের সূত্রপাত

হার্ড রক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে (৪৫+২ মিনিট) জুড বেলিংহামের গোলে ১-১ সমতা আনে ইংল্যান্ড। এই গোলের পরপরই ফরাসি রেফারি ক্লেমো তুরপিনের কাছে প্রতিবাদ জানান নরওয়ের খেলোয়াড়েরা। গোলটির আগে ইয়র্ন নিল্যান্ডের একটি গোল-কিক থেকে শুরু হয়েছিল আক্রমণের সেই ধারা, যা শেষ পর্যন্ত বেলিংহামের গোলে রূপ নেয়। ফুটেজে দেখা যায়, বলের গতিপথ হঠাৎ বদলে গিয়ে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসনের কাছে চলে যায়। খেলার নিয়ম অনুযায়ী এমন ঘটনায় খেলা থামিয়ে ড্রপ বল দেওয়ার কথা ছিল।

ফিফার প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ

শনিবার ফিফা জানায়, বলের ভেতরে বসানো চিপ সেন্সরে বল ক্যামেরার তারে ধাক্কা খাওয়ার কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। টুর্নামেন্টের আগের পর্বে পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার নকআউট ম্যাচে একটি গোল বাতিলের ক্ষেত্রেও একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল। ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়, নরওয়ের বিপক্ষে ৪৫+২ মিনিটে ইংল্যান্ডের গোলের আগে কানেক্টেড বলের সেন্সরে বাতাসে থাকা অবস্থায় বলের ‘হার্টবিটে’ কোনো অস্বাভাবিক তারতম্য পাওয়া যায়নি। তাই বল ওপরের তারে স্পর্শ করে গতিপথ বদলে যাওয়ার কোনো প্রমাণ নেই।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রভাব ও পরবর্তী ম্যাচ

এই গোল নিয়ে বিতর্ক সত্ত্বেও ইংল্যান্ড জয় পেয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছেছে। আগামী বুধবার (১৫ জুলাই) রাত ১টায় ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ফিফার বিবৃতি বিতর্কের অবসান ঘটাতে সহায়ক হবে বলে ধরা হচ্ছে।