ইংল্যান্ডের দাপুটে জয়
বিশ্বকাপ ফুটবলের হাইভোল্টেজ ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড। ডালাস স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে ২-২ গোলে সমতায় থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে দাপট দেখায় টমাস টুখেলের দল। জোড়া গোল করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
প্রথমার্ধের নাটকীয়তা
নবম মিনিটে পেনাল্টি পায় ইংল্যান্ড। রাইসের কর্নার থেকে মদ্রিচ মাদুয়েকেকে ফেলে দিলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। কেইনের প্রথম শট লিভাকোভিচ ঠেকিয়ে দিলেও গভারদিওলের অকালপ্রবেশ ও লিভাকোভিচের গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে আসায় পেনাল্টি পুনরায় নেওয়া হয়। দ্বিতীয় চেষ্টায় কেইন ডান দিকে জোরালো শটে গোল করেন (১-০)।
৩১ মিনিটে ইংল্যান্ডের আক্রমণে কেইন মাদুয়েকেকে বল বাড়ান, কিন্তু বেলিংহ্যাম শেষ মুহূর্তে পা ছোঁয়াতে পারেননি। ৩৬ মিনিটে সুসিচের পাসে মার্টিন বাতুরিনা দুর্দান্ত শটে পিকফোর্ডকে পরাস্ত করে সমতা আনেন (১-১)।
৪২ মিনিটে রাইসের কর্নার থেকে কেইন হেড করে ইংল্যান্ডকে আবার এগিয়ে নেন (২-১)। তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে পাসালিচের ক্রস থেকে পেরিসিচ হেড নামিয়ে দেন পিটার মুসার সামনে, যিনি ভলিতে পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন (২-২)।
দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ডের দাপট
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৭ মিনিটে বেলিংহ্যাম পেনাল্টি বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত শটে গোল করে ইংল্যান্ডকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। পরের মিনিটে বেলিংহ্যামের ২০ গজ দূর থেকে জোরালো শট লিভাকোভিচ কোনোমতে আটকান।
৮৫ মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ড ব্যবধান ৪-২ করেন। সাকার আক্রমণ থেকে বল রজার্সের হয়ে ডিফ্লেক্ট হয়ে ফিরে এলে সাকা ফাঁকায় থাকা রাশফোর্ডকে খুঁজে নেন। রাশফোর্ড ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে শট নেন এবং বল জালে জড়ান। শেষ পর্যন্ত ৪-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।
পরবর্তী খেলা
- গ্রুপ এল: ঘানা – পানামা (ভোর ৫টা, বিএমও ফিল্ড, টরন্টো)
- গ্রুপ কে: উজবেকিস্তান – কলম্বিয়া (সকাল ৮টা, এস্তাদিও আজতেকা, মেক্সিকো)
- গ্রুপ এ: চেক প্রজাতন্ত্র – দক্ষিণ আফ্রিকা (রাত ১০টা, মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম, আটলান্টা)



