চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে ইকুয়েডর। বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপের নিজেদের শেষ ম্যাচে নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে এই অঘটন ঘটে। জার্মানি আগেই নকআউট নিশ্চিত করেছিল, তবে পূর্ণ শক্তির একাদশ মাঠে নামায় ফলাফলটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
ম্যাচের শুরুতে জার্মানির গোল
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই লিরয় সানের গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি। এই গোলের পর ইকুয়েডরের পক্ষে বাজি ধরার লোক কমে যায়। কিন্তু ইকুয়েডর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় এবং শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। এই জয়ের মাধ্যমে গ্রুপের তৃতীয় সেরা দল হিসেবে ২০ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে উঠেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
নাগলসমানের প্রতিক্রিয়া
হারের পর জার্মানি কোচ ইউলিয়ান নাগলসমান বলেন, ‘আমরা দারুণ শুরু করেছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত, গোল পাওয়ার পরপরই পজিশনিংয়ে আমরা “কৌশলগত আত্মহত্যা” করতে শুরু করি। আর এটাই কাজটা কঠিন করে দেয়।’ তিনি ইকুয়েডরের প্রশংসা করে বলেন, ‘ইকুয়েডরের পাওয়ার অনেক কিছু ছিল এবং মাঠে তাদের খেলায় সেটি বোঝা গেছে। শুরু থেকেই তারা পুরো গতিতে খেলেছে।’ তবে নিজের খেলোয়াড়দের সমালোচনা করতে চাননি নাগলসমান, ‘আমি এটা বলতে পারব না যে আমার খেলোয়াড়রা তাদের সবটুকু উজাড় করে দেয়নি।’
কিমিখের সতর্কতা
জার্মানি অধিনায়ক ইয়োশুয়া কিমিখ বলেন, ‘নিজেদের ভুলের কারণে বারবার প্রতিপক্ষকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ দিচ্ছি, যা তাদের আরও শক্তিশালী করে তুলছে। ভাগ্য ভালো যে এখনো বড় কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে আমরা আর কোনো হার সহ্য করতে পারব না—সেটি পরিষ্কার।’ শেষ ৩২-এর ম্যাচে রক্ষণভাগ আরও জমাট করার তাগিদ দেন তিনি।
পরবর্তী ম্যাচ
আগামী রোববার শেষ ৩২ দলের রাউন্ডের ম্যাচে জার্মানির প্রতিপক্ষ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নাগলসমান বলেন, ‘সোমবারের ম্যাচে দারুণভাবে শুরু করা এবং পরের রাউন্ডে যাওয়ার জন্য নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দেওয়াটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’



