ক্রোয়েশিয়ার শেষ মূহূর্তের গোল বাতিল: ভিএআর ও স্নিকো প্রযুক্তির ভূমিকা
ক্রোয়েশিয়ার শেষ মূহূর্তের গোল বাতিল: ভিএআর ও স্নিকো

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর শেষ বত্রিশের ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে শেষ মূহূর্তে সমতাসূচক গোল করেছিল ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু ভিএআর ও স্নিকো প্রযুক্তির যাচাইয়ের পর সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। ফলে ২-১ গোলের ব্যবধান ধরে রেখে জয় পায় পর্তুগাল, শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয় দলটি।

ঘটনার বিবরণ: শেষ মূহূর্তের নাটক

ম্যাচের ইনজুরি সময় চলছিল, তখন ব্যবধানে ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল পর্তুগাল। বাম পাশ থেকে বল বাড়ান ক্রোয়েশিয়ার উইঙ্গার ইভান পেরিসিচ। বক্সের মধ্যে বলটি এদিক-ওদিক ঘুরপাক খাওয়ার পর মারিও পাসালিচ বলটি বাড়িয়ে দেন, আর সেখান থেকে বল জালে জড়ান ডিফেন্ডার ইয়োসকো গেভার্দিওল। গোলের পরপরই উল্লাসে মেতে ওঠেন ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড়রা। তবে সেই উল্লাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

ভিএআর ও স্নিকো প্রযুক্তির হস্তক্ষেপ

রেফারি এসপেন এসকাস দৌড়ে গিয়ে ভিডিও রিভিউয়ের সিদ্ধান্ত নেন। পেরিসিচ যখন ক্রস করেন, তখন পাসালিচ অনসাইড অবস্থানেই ছিলেন। কিন্তু স্নিকো প্রযুক্তি ব্যবহার করে রেফারি দেখতে পান, ক্রোয়েশিয়ার ফরোয়ার্ড ইগর মাতানোভিচ বাতাসে থাকা বলে সামান্য স্পর্শ করেছিলেন, যা এরপর পর্তুগালের সেন্টার-ব্যাক রেনাতো ভেইগার গা ছুঁয়ে সামনে যায়। মাতানোভিচ যখন বলে স্পর্শ করেন, তখন অফসাইড অবস্থানে ছিলেন পাসালিচ। আর এই কারণেই এরপরের পুরো আক্রমণটি অবৈধ বলে গণ্য হয়। রেফারি তাৎক্ষণিকভাবে গোলটি বাতিল করে দেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিক্রিয়া ও ফলাফল

গোল বাতিলের পর জোর প্রতিবাদ জানান ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড় ও সমর্থকরা। তবে সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত থাকে। এই সুযোগের পর দ্বিতীয় গোলের আর কোনো সুযোগ পায়নি ক্রোয়েশিয়া। এক গোলের ব্যবধান ধরে রেখেই ম্যাচ শেষ করে পর্তুগাল। এই জয়ের মধ্য দিয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেয় দলটি।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ