কঙ্গোর ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ নকআউট: উজবেকিস্তানকে হারিয়ে শেষ ৩২-এ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি
কঙ্গোর ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়: ইংল্যান্ডের সাথে শেষ ৩২-এ লড়াই

শনিবার অনুষ্ঠিত ম্যাচে কঙ্গো ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। ৫২ বছর পর প্রথমবারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পৌঁছেছে তারা। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৩-১ গোলের কামব্যাক জয়ের মাধ্যমে এই অর্জন করে কঙ্গো। রাউন্ড অফ ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।

প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়া

ম্যাচের ১০ম মিনিটেই উজবেকিস্তানের এলদোর শোমুরোদভ একটি লবড ফিনিশে গোল করে কঙ্গোকে পিছিয়ে দেন। প্রথমার্ধে কঙ্গো আর কোনো গোল শোধ করতে পারেনি। তবে বিরতির পর দাপট দেখায় আফ্রিকান দলটি।

দ্বিতীয়ার্ধে কামব্যাক

৬৮তম মিনিটে কঙ্গো সমতা আনে। ইয়ানে উইসা পেনাল্টি থেকে গোল করেন। আবদুকোদির খুসানভের ফাউলে পেনাল্টি পায় কঙ্গো। উইসা গোলরক্ষক আবদুভোহিদ নেমাতভকে বিপরীত দিকে পাঠিয়ে বল জালে জড়ান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

১০ মিনিট পর ফিস্টন মায়েলে দলকে এগিয়ে নেন। মেশাক এলিয়ার শট ডিফ্লেক্ট হয়ে তার পায়ে আসে এবং তিনি নিকট পোস্টে বল জড়িয়ে দেন। ইনজুরি টাইমে উইসা দ্বিতীয় গোল করেন। তিনি কার্লিং শটে বল নিচের কোণে পাঠিয়ে জয় নিশ্চিত করেন।

ঐতিহাসিক অর্জন

এই জয় কঙ্গোর বিশ্বকাপে প্রথম জয়। এর আগে তারা পর্তুগালের সাথে ১-১ ড্র করে তাদের প্রথম পয়েন্ট অর্জন করেছিল। সেরা তৃতীয় স্থানাধিকারী দল হিসেবে তারা নকআউট পর্বে পৌঁছে। কঙ্গো অষ্টম আফ্রিকান দেশ হিসেবে গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল।

১৯৭৪ সালের স্মৃতি ভুলে নতুন ইতিহাস

১৯৭৪ সালে জায়ার নামে বিশ্বকাপে খেলেছিল কঙ্গো। সেবার তারা তিন ম্যাচেই হেরেছিল, যার মধ্যে যুগোস্লাভিয়ার কাছে ৯-০ গোলের বিধ্বংসী হারও ছিল। এই জয় সেই দুঃখজনক স্মৃতি মুছে দিয়েছে।

উল্লেখ্য, কঙ্গো ১৯৭৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। তাদের এই সাফল্য আফ্রিকান ফুটবলের জন্যও একটি বড় অর্জন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ