হিউস্টনে মরক্কোর কাছে ৩-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে অন্যতম আয়োজক কানাডা। তাতে টুর্নামেন্টের প্রথম আয়োজক দেশ হিসেবে বিদায় নিয়েছে তারা। কানাডা এই আসরেই নিজেদের সেরা সাফল্য উপহার দিয়েছে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে পয়েন্ট অর্জন, জয় এবং গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে নকআউট নিশ্চিত করেছিল। সেই যাত্রা থামলো শেষ ষোলোতে। আর এই জয়ে সবার আগে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে উত্তর আফ্রিকার দেশ মরক্কো।
প্রথমার্ধে কানাডার দারুণ লড়াই
প্রথমার্ধে কানাডা দারুণ লড়াই উপহার দিয়েছিল। বিপরীতে প্রত্যাশিত ছন্দে ছিল না মরক্কো। তবে বিরতির পরই ছন্দে ফেরে তারা। পাঁচ মিনিট পর আশরাফ হাকিমির ফ্রি-কিক থেকে আজ্জেদিন উনাহি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন।
দ্বিতীয়ার্ধে মরক্কোর আধিপত্য
ম্যাচের ৮২ মিনিটে দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণ থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে মরক্কোর জয় প্রায় নিশ্চিত করেন উনাহি। যোগ করা সময়ে সুফিয়ান রাহিমি গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপোর নিচ দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান ৩-০ করেন।
শুরুর দিকে কানাডার আক্রমণ
অবশ্য স্কোর লাইন যতটা দাপুটে মনে হচ্ছে ম্যাচের শুরুটা ছিল তার উল্টো। টেক্সাসে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছিল কানাডা এবং শুরুর দিকেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও তৈরি করেছিল। ম্যাচের প্রথম ১১ মিনিটে জনাথন ডেভিড ও তানি ওলুওয়াসেই একাধিকবার সুযোগ পেলেও মরক্কোর গোলরক্ষক বোনো দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করেন। এই সময় মরক্কোও শরীরী ফুটবলে ব্যস্ত থেকেছে। ইংল্যান্ডের রেফারি মাইকেল অলিভার ম্যাচে মোট সাতটি হলুদ কার্ড দেখান। শেষ পর্যন্ত যদিও অভিজ্ঞতাই পার্থক্য গড়ে দেয়।



