আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এক রোমাঞ্চকর ম্যাচে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও মিশরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে। লিওনেল মেসির টানা নবম বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল ও এনজো ফার্নান্দেজের যোগ করা সময়ের গোলে দলটি নাটকীয় জয় পায়।
প্রথমার্ধে মিশরের আধিপত্য
ইয়াসের ইব্রাহিমের হেডার ও মোস্তফা জিকোর গোলে মিশর প্রথমার্ধেই ২-০ লিড নেয়। মেসি একটি পেনাল্টি মিস করলে আর্জেন্টিনার বিপদ আরও বাড়ে। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর অসাধারণ কিছু সেভ দিয়ে দলকে এগিয়ে রাখেন।
বিতর্কিত ভিএআর সিদ্ধান্ত
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মিশরের একটি গোল ভিএআরের মাধ্যমে বাতিল হয়, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। ম্যাচের শেষ দিকে আর্জেন্টিনার কামব্যাক শুরু হয় ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর হেডার গোলের মাধ্যমে।
মেসির রিডেম্পশন
নির্ধারিত সময়ের ৭ মিনিট বাকি থাকতে মেসি একটি হাফ ভলিতে গোল করে দলকে সমতায় আনেন। এটি ছিল তার টানা নবম বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল এবং টুর্নামেন্টে অষ্টম গোল। এরপর যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের হেডার গোলে আর্জেন্টিনা জয় নিশ্চিত করে।
ম্যাচ-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া
ম্যাচ শেষে মেসি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেন, 'আমি এখন খুব আবেগপ্রবণ। কী দারুণ এক দল!' মিশর বিতর্কিত সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানালেও ফলাফল বদলায়নি। আর্জেন্টিনা এখন কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়া বা সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে।



