২০২৬ বিশ্বকাপে ফিফার নতুন নকআউট কাঠামোর কারণে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েও আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল তৃতীয় স্থানধারী দলের পরিবর্তে রানার্সআপ দলের বিপক্ষে খেলছে। এই পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে।
নতুন নিয়মে নকআউট পর্বের কাঠামো
আগের বিশ্বকাপগুলোতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নরা সরাসরি অন্য গ্রুপের রানার্সআপের মুখোমুখি হতো। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে ফিফা ৪৮ দলের ফরম্যাটে নতুন ব্র্যাকেট ব্যবস্থা চালু করেছে। এখন আটটি সেরা তৃতীয় স্থানধারী দল শেষ ৩২-এ জায়গা পায় এবং তাদের বিপক্ষে নির্দিষ্ট কিছু গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন খেলে। তবে সব গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন তৃতীয় স্থানধারীর বিপক্ষে খেলে না; কিছু গ্রুপের চ্যাম্পিয়নকে রানার্সআপের মুখোমুখি হতে হয়।
কেন ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা রানার্সআপ পেয়েছে?
ফিফার সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ সি, এফ, এইচ এবং জে-এর চ্যাম্পিয়নরা দ্বিতীয় রাউন্ডে অন্য গ্রুপের রানার্সআপের বিপক্ষে খেলবে। ব্রাজিল গ্রুপ সি-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে গ্রুপ এফ-এর রানার্সআপ জাপানের মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা গ্রুপ জে-এর চ্যাম্পিয়ন হলে খেলবে গ্রুপ এইচ-এর রানার্সআপের সঙ্গে। অন্যদিকে গ্রুপ এ, বি, ডি, ই, জি, আই, কে এবং এল-এর চ্যাম্পিয়নরা সেরা তৃতীয় স্থানধারীদের বিপক্ষে খেলবে।
ফিফার লক্ষ্য ভারসাম্য
ফিফা এই কাঠামোর মাধ্যমে নকআউট পর্বে ভারসাম্য বজায় রাখতে চায়। একই গ্রুপের দল যাতে দ্রুত আবার মুখোমুখি না হয় এবং বড় দলগুলো যাতে শুরুতেই একে অপরের বিপক্ষে না পড়ে, সেজন্য এমন ব্র্যাকেট তৈরি করা হয়েছে। ফিফার এক মুখপাত্র জানান, "এই কাঠামো প্রতিযোগিতার ন্যায্যতা ও পরিকল্পিততা নিশ্চিত করে।"
ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পথ
ব্রাজিল দ্বিতীয় রাউন্ডে জাপানকে হারালে শেষ ষোলোতে তাদের প্রতিপক্ষ হবে নির্দিষ্ট দুটি রানার্সআপ দলের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী। আর্জেন্টিনার জন্যও একই ধরনের সূচি প্রযোজ্য। এই ব্যবস্থায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েও তারা তৃতীয় স্থানধারীর চেয়ে কঠিন প্রতিপক্ষ পেতে পারে বলে মত বিশ্লেষকদের।



