নাঈম হাসান হেনস্তা: তদন্ত প্রতিবেদনের সময় আরও চার দিন বাড়ল
নাঈম হাসান হেনস্তা: তদন্ত প্রতিবেদনের সময় বাড়ল

জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে পিটিয়ে থানায় নেওয়া এবং হেনস্তার ঘটনায় গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দেওয়ার সময় আরও চার দিন বেড়েছে। এর আগে গত ১৩ জুন গঠিত তদন্ত কমিটিকে পাঁচ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশনা দেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। তবে গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা থাকলেও কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়নি। তদন্তের সময় বৃদ্ধি চেয়ে পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেয় গঠিত কমিটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ কমিশনার তদন্তে আরও চার দিন সময় বাড়িয়েছেন।

গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান উপ-পুলিশ কমিশনার (পশ্চিম) আলমগীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কমিটির তদন্ত কার্যক্রম এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। সে কারণে সময় বৃদ্ধির আবেদন করা হলে পুলিশ কমিশনার আরও চার দিন সময় বৃদ্ধির আবেদন মঞ্জুর করেছেন। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে পারবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমরা এ ঘটনায় ২৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছি। যে তথ্যের ভিত্তিতে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে তল্লাশি করা হয়েছিল, সেই তথ্য যে সংস্থা থেকে এসেছে তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ কারণে বাড়তি সময় চাওয়া হয়েছে।’

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উল্লেখ্য ক্রিকেটার নাঈম হাসান গত ১২ জুন (শুক্রবার) রাতে থানায় সাংবাদিকদের জানান, ওই দিন রাতের ফ্লাইটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে নামেন তিনি। সেখান থেকে অটোরিকশায় বাসার উদ্দেশে রওনা হন। এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় লালখান বাজার এলাকায় পুলিশ অটোরিকশাটিকে থামার সংকেত দেয়। এরপর চালকের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে নেয়। পরে গাড়ি থেকে নামিয়ে নাঈম হাসানকে লাঠি ও পাইপ দিয়ে মারধর করেন খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও পুলিশের সোর্স সোহেল। একপর্যায়ে একটি অটোরিকশায় করে নাঈমকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও হেনস্তা করা হয়েছে। পরে বিসিবির কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে থানা থেকে ছাড়া পান নাঈম।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত ১৩ জুন (শনিবার) সকালে নাঈমের ভাই সাব্বির আলম বাদী হয়ে খুলশী থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে মারধর, অপহরণের চেষ্টা ও বেআইনিভাবে আটকে রাখার বিষয় উল্লেখ করা হয়। মামলায় খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, কনস্টেবল রাসেল চৌধুরী ও পুলিশের সোর্স সোহেল হোসেন সরকারকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল চৌধুরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।