এশিয়ান হ্যান্ডবল ফেডারেশনে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সাফল্য: সালাউদ্দিন আহমেদ কমিশন সদস্য
এশিয়ান হ্যান্ডবলে বাংলাদেশের প্রথম কমিশন সদস্য সালাউদ্দিন

এশিয়ান হ্যান্ডবল ফেডারেশনে বাংলাদেশের যুগান্তকারী অর্জন

এশিয়ান হ্যান্ডবল ফেডারেশন (এএইচএফ) ২০২৫-২০২৯ সেশনের জন্য আন্ডার ডেভেলপমেন্ট কমিটির একটি নতুন কমিশন গঠন করেছে। এই কমিশনে চার সদস্যের মধ্যে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব স্থান পেয়েছে, যা দেশের হ্যান্ডবল ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

সালাউদ্দিন আহমেদের আন্তর্জাতিক ভূমিকা

অ্যাডহক কমিটির সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আহমেদ এই কমিশনের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি চার বছর মেয়াদে আন্তর্জাতিক স্তরে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন, যা বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে বৈশ্বিক হ্যান্ডবল উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সালাউদ্দিনের এই নিয়োগ তার পূর্ববর্তী কয়েকটি দেশে কংগ্রেস ও সেমিনারে জোরালো ভূমিকা এবং উদ্ভাবনী প্রস্তাবনার ফলাফল।

সালাউদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, 'উজবেকিস্তান ও মিশরের মতো দেশে গিয়ে আমি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অগ্রগতির জন্য প্রস্তাবনা রেখেছি। সম্ভবত এএইচএফ কর্তৃপক্ষের কাছে আমার ধারণাগুলো পছন্দ হয়েছে, তাই তারা আমাকে সরাসরি কমিশনে অন্তর্ভুক্ত করেছে। আমি আগে থেকে জানতাম না যে আমাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কমিশনের উদ্দেশ্য ও বাংলাদেশের পরিকল্পনা

এই কমিশন মূলত এএইচএফের নিচের দিকে অবস্থানকারী প্রায় ১৭টি দেশের উন্নয়নে কাজ করবে। লক্ষ্য হলো কীভাবে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে এই দেশগুলোকে ওপরের স্তরে উন্নীত করা যায়। বাংলাদেশ হ্যান্ডবলের কর্মকর্তা হিসেবে সালাউদ্দিনের ইচ্ছা হলো আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশনের ফান্ড উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি বলেন, 'ঢাকায় এএইচএফ অনূর্ধ্ব ১৮ ও ২০ এশিয়ান জোন টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। পরের বছর সিনিয়র টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে খেলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে। এছাড়া, অনুশীলনের মান উন্নয়ন, খেলোয়াড় ও রেফারিদের সম্মানী প্রদান এবং অন্যান্য উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে।'

এবার প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ থেকে দুজন রেফারি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নেবেন, যা দেশের হ্যান্ডবল প্রশাসনে একটি বড় অগ্রগতি। কমিশনের সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ থাকবে, যা বাংলাদেশের হ্যান্ডবল ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।