বার্সেলোনার দাপুটে জয়ে লা লিগা শিরোপার দিকে আরও একধাপ এগিয়ে
লা লিগা শিরোপা জয়ের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল বার্সেলোনা। শনিবার দিবাগত রাতে ন্যু ক্যাম্পে এস্পানিওলকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে তারা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে এখন ৯ পয়েন্ট এগিয়ে আছে কাতালান ক্লাবটি।
ফেরান তোরেসের জোড়া গোলে দারুণ ফিরে আসা
দীর্ঘদিন গোলশূন্য থাকার পর এই ম্যাচে জোড়া গোল করে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান ফেরান তোরেস। ম্যাচের ৯ মিনিটে লামিনে ইয়ামালের কর্নার থেকে হেডে প্রথম গোলটি করেন তিনি। এরপর ২৫ মিনিটে ইয়ামালের নিখুঁত পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটির দেখা পান তোরেস। ভাগ্য সহায় হলে হ্যাটট্রিকও পেতে পারতেন, কিন্তু একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
ইয়ামালের ১০০তম ম্যাচে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স
১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল এই ম্যাচে নিজের ১০০তম লা লিগা ম্যাচ খেলেন এবং দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেন। দুটি গোলে সহায়তার পাশাপাশি তিনি নিজেও একটি গোল করেন, যা দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এস্পানিওলের সংক্ষিপ্ত প্রতিরোধ
২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর পল লোজানোর গোল এস্পানিওলকে কিছুটা আশার আলো দেখায়। কিছু সময়ের জন্য বার্সার রক্ষণভাগে চাপ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচে ফিরতে পারেনি তারা, এবং বার্সেলোনা তাদের আধিপত্য বজায় রাখে।
ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ও রাশফোর্ডের অবদান
চোট কাটিয়ে দীর্ঘদিন পর মাঠে নামেন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, আর নেমেই দলের খেলায় প্রভাব ফেলেন। তার পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে মার্কাস রাশফোর্ড দলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন, যা ম্যাচের ফলাফল নিশ্চিত করে।
শিরোপার দিকে অগ্রগতি ও সামনের চ্যালেঞ্জ
এর আগে জিরোনার সঙ্গে ড্র করায় বার্সার জন্য এই ম্যাচে জয় পাওয়া ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই জয়ের ফলে টানা ৩০টি ডার্বি ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড ধরে রাখল তারা। ৩১ ম্যাচ শেষে বার্সার পয়েন্ট ৭৯, আর রিয়াল মাদ্রিদের ৭০। লিগ শিরোপার দিকে বড় অগ্রগতি হলেও সামনে বার্সার জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন চ্যালেঞ্জ। আগামী মঙ্গলবার মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আতলেটিকো মাদ্রিদের মুখোমুখি হবে তারা। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ২-০ গোলে হেরে আছে তারা, তাই এই ম্যাচে জয়লাভ তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



