বৃষ্টিসিক্ত মাঠে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেও জয় পেলো না আবাহনী লিমিটেড। শেখ মোরসালিন, আসাদুল ইসলাম ও সুলেমানে দিয়াবাতের কেউই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর একমাত্র গোলে পিডাব্লিউডির কাছে হার মেনে ফেডারেশন কাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।
এই হারে বিদায় ঘণ্টা বেজেছে আবাহনীর। তাতে ২০১৮-২০১৯ মৌসুমের পর এবারই প্রথম গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে গেলো দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ক্লাবটি।
মঙ্গলবার বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় এই গ্রুপ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে আগেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা পিডাব্লিউডির আশা এখনও বেঁচে আছে। তাদের পরবর্তী পর্বে ওঠা নির্ভর করছে রহমতগঞ্জ ও ফকিরেরপুল ইয়াংমেন্স ক্লাবের ম্যাচের ফলের ওপর।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ ফুটবল লিগে দ্বিতীয় স্থানে থাকা আবাহনী চার ম্যাচে একটি জয় ও একটি ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ হয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে।
এদিন কিংস অ্যারেনায় শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে আবাহনী। ১০ মিনিটে মিডফিল্ডার কাজেম শাহ কিরমানির বুলেট শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন গোলকিপার। ২২ মিনিটে গোলের সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন আল আমিন। সতীর্থের পাস ধরে বক্সে একা গোলকিপারকে পেলেও তার দুর্বল চিপ শট পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে স্লাইড করে ঠেকান সারোয়ার জাহান।
৩০ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে শেখ মোরসালিনের ডান পায়ের শট ঝাঁপিয়ে পড়ে আবারও প্রতিহত করেন সারোয়ার, হতাশ হয় আবাহনী।
দ্বিতীয়ার্ধে বড় ধাক্কা খায় আবাহনী। ৬৫ মিনিটে আলি উজাইরের পাস থেকে ডিফেন্ডার সুশান্ত ত্রিপুরাকে কাটিয়ে বাইলাইনের ওপর থেকে আবু সাইদ কাটব্যাক দেন। বক্সের ভেতর থেকে নিখুঁত প্লেসিং শটে গোলকিপারের পায়ের ফাঁক গলে বল জালে জড়ান এক সময় জাতীয় দলে খেলা আব্দুল্লাহ।
৭৮ মিনিটে ডান দিক থেকে শেখ মোরসালিনের ক্রসে দূরের পোস্টে থাকা মিরাজুল ইসলাম পা বাড়িয়েও বলের নাগাল পাননি। ৮৬ মিনিটে একইভাবে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের শুরুতে দিয়াবাতের শট ব্লক হয়। এরপর মালির এই ফরোয়ার্ডের হেড পোস্টের বাইরে চলে গেলে বাজে শেষের বাঁশি।
এর সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিযোগিতার রেকর্ড ১২বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনীকে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়।



