বসুন্ধরা কিংসের গোলকিপিং কোচ নয়নের কাছে কম্বোডিয়ার ক্লাবের প্রস্তাব
বসুন্ধরা কিংসের কোচ নয়নের কাছে কম্বোডিয়ার প্রস্তাব

স্থানীয় কোচদের মধ্যে নুরুজ্জামান নয়ন ধীরে ধীরে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন। ক্লাব ফুটবলের পাশাপাশি জাতীয় দলে ডাক পেলেও নিয়মিত কোচিং করিয়ে যাচ্ছেন তিনি। আধুনিক কোচিং লাইসেন্স সম্পন্ন করে বর্তমানে কোচ এডুকেটর হিসেবেও কাজ করছেন। এবার দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলকে নতুনভাবে ব্র্যান্ডিং করার লক্ষ্য নিয়েছেন বসুন্ধরা কিংসের গোলকিপিং কোচ।

কম্বোডিয়ার ক্লাবের প্রস্তাব

কম্বোডিয়ার প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম ক্লাব ভিসাখা এফসি থেকে গোলকিপিং কোচ হিসেবে তার কাছে প্রস্তাব এসেছে। আকর্ষণীয় বেতন ও নানা সুযোগ-সুবিধাসহ নয়নকে দলে নিতে আগ্রহী ক্লাবটি। শুধু এক মৌসুম নয়, দুই মৌসুমের জন্য নয়নের সঙ্গে চুক্তি করতে চায় কম্বোডিয়ার ক্লাবটি। এএফসি কাপে খেলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাদের। বাংলাদেশের ঘরোয়া মৌসুম প্রায় শেষের দিকে হওয়ায় নতুন চুক্তির আগে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছেন ৪৬ বছর বয়সী এই কোচ।

নয়নের প্রতিক্রিয়া

ফেডারেশন কাপ ফাইনালের আগে আজ বাংলা ট্রিবিউনকে নয়ন বলেছেন, ‘দেশের বাইরে থেকে আমন্ত্রণ পাওয়া অবশ্যই বড় ব্যাপার। অনেক দিন ধরেই দেশে কোচিং করাচ্ছি। এবার বিদেশ থেকে প্রস্তাব পাওয়ায় আমার চিন্তা-ভাবনায় নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে। বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে আমার চুক্তিও শেষ পর্যায়ে। এখন আমিও দেশের বাইরে কোচিং করিয়ে নিজেকে নতুনভাবে তুলে ধরতে চাই। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ফুটবলের ব্র্যান্ডিংও করতে চাই।’

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে আলোচনা

তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কিংস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান নয়ন। দীর্ঘদিন ধরেই ক্লাবটিতে খেলোয়াড় ও কোচদের বেতন বকেয়া রয়েছে। সামনের দিনে পরিস্থিতির উন্নতি হবে কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা আছে। এ প্রসঙ্গে নয়ন বলেছেন, ‘আমি অনেক দিন ধরে এই ক্লাবের সঙ্গে আছি। সুখে-দুঃখে ক্লাবটি আমাদের পাশে থেকেছে। এখন হয়তো কঠিন সময় যাচ্ছে। তাই আমি যাই করি না কেন, ক্লাবের সঙ্গে আলোচনা করেই করবো। তবে আমার ইচ্ছা দেশের বাইরে গিয়ে কোচিং করানো। সেখানে ভালো করতে পারলে ভবিষ্যতে অন্যদের জন্যও সুযোগের দুয়ার খুলবে। বাংলাদেশের ফুটবলের সুনামও বাড়বে। এখন দেখা যাক সামনে কী হয়।’