হারারে স্পোর্টস ক্লাবে রোববার অনুষ্ঠিত জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের প্রথম দিনে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হয়ে যায়। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ, কিন্তু শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়।
প্রথম সেশনের ধাক্কা
ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় নিউম্যান নিয়ামহুরির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ২ রানে ফিরলে বাংলাদেশ ৩৬-২ এ পৌঁছে। এরপর শাদমান ইসলাম ২০ রান করে ব্র্যাড ইভান্সের শিকার হন।
মমিনুল-শান্তর প্রতিরোধ
তৃতীয় উইকেটে মমিনুল হক ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৭৭ রানের জুটি গড়েন। মমিনুল ৬০ রানের একটি স্থির ইনিংস খেলেন, যাতে ১২টি বাউন্ডারি ছিল। তার এই ইনিংসটি তার শেষ আট টেস্ট ইনিংসে ষষ্ঠবারের মতো পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের ইনিংস। শান্ত ১৯ রান করে আউট হন।
পতনের ধারা
মমিনুল আউট হওয়ার পর বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ ভেঙে পড়ে। ১১৩-৩ থেকে পরবর্তী সাত উইকেট মাত্র ২৭ রানের মধ্যে হারায়। অভিষেক হওয়া তৌহিদ হৃদয় ও আমিত হাসান যথাক্রমে ৩ ও ৪ রান করেন।
জিম্বাবুয়ের বোলিং নৈপুণ্য
বামহাতি পেসার নিউম্যান নিয়ামহুরি ক্যারিয়ার সেরা ৪-৬১ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়ের বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দেন। অধিনায়ক রিচার্ড নগারাভা, ব্র্যাড ইভান্স ও ব্লেসিং মুজারাবানি প্রত্যেকে দুইটি করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশের এই ব্যাটিং বিপর্যয় তাদের টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম খারাপ দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। মমিনুল হকের ব্যতিক্রমী ইনিংস ছাড়া বাকি ব্যাটাররা দায়িত্বশীল ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন।



