শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি ছিল অনেকটা একপেশে। ইংল্যান্ডকে কোনো সুযোগ না দিয়ে একক আধিপত্য দেখিয়েছে অস্ট্রেলিয়া নারী দল। ইংলিশদের ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে রেকর্ড সপ্তমবারের মতো শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে অজি মেয়েরা। নারী ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়া। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১০টি আসরের মধ্যে আটটির ফাইনালই খেলেছে তারা। এর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সাতবার। একবার করে শিরোপা জেতার কীর্তি রয়েছে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
ম্যাচের বিবরণ
রোববার (৫ জুলাই) লর্ডসে টস জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি ইংলিশদের। ৬ রানে অ্যামি জোনস ও ৮ রানে ড্যনি ওয়াট সাজঘরের পথ ধরেন। এরপর তৃতীয় উইকেটে চাপ সামলে নেন ন্যাট স্কিভার ব্রান্ট ও অ্যালিস ক্যাপসি। ২৩ রানে থামেন ক্যাপসি। আর ২ রান করেন হেথার নাইট।
ইংল্যান্ডের ইনিংস
ইনিংসের শেষ পর্যন্ত খেলেন স্কিভার ব্রান্ট ও ফ্রেইয়া ক্যাম্প। ফিফটি পূরণের পর ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন ব্রান্ট। আর ৪৪ রানের অপ্রতিরোধ্য ইনিংসটি খেলেন ক্যাম্প। এতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড।
অস্ট্রেলিয়ার জয়ের পথ
১৫১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। মাত্র ৯ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন জর্জিয়া ভোল। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ওপেনার বেথ মুনি ও ফোবে লিচফিল্ডের ১০০ রানের জুটিতে জয়ের ভিত পায় অজিরা। ৪৮ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন লিচফিল্ড। অন্যদিকে, ফিফটি করলেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি ওপেনার বেথ মুনি। আউট হওয়ার আগে করেন ৬৪ রান।
জয় নিশ্চিত
এলিস পেরি ও অ্যাশলে গার্ডনার মিলে ১৭ বল হাতে রেখে অস্ট্রেলিয়ার জয় নিশ্চিত করেন। ১৩ রানে পেরি ও ৩ রানে গার্ডনার অপরাজিত থাকেন।



