কোহলির 'লাইক' নিয়ে জার্মান ইনফ্লুয়েন্সারের অস্বস্তি, সামাজিক মাধ্যমের আলোচনা
কোহলির 'লাইক' নিয়ে জার্মান ইনফ্লুয়েন্সারের অস্বস্তি

কোহলির 'লাইক' নিয়ে জার্মান ইনফ্লুয়েন্সারের অস্বস্তি

ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক বিরাট কোহলি আবারও সামাজিক মাধ্যমের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। এবার জার্মান ইনফ্লুয়েন্সার লেসলির একটি পোস্টে 'লাইক' দেওয়াকে ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। পোস্টটিতে ভারতীয় ফটোগ্রাফার অদ্বৈত বৈদ্যকেও ট্যাগ করা হয়েছিল। যদিও কোহলি লেসলিকে ফলো করেন না, তবুও সেই পোস্টে তার 'লাইক' দেখা গেছে। মুহূর্তের মধ্যেই স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় মিম, জল্পনা ও তীব্র আলোচনা। কিছুক্ষণের মধ্যেই 'লাইক'টি সরিয়ে নেওয়া হলেও, ততক্ষণে বিষয়টি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।

পুরনো বিতর্কের পুনরাবৃত্তি

এই ঘটনা ২০২৫ সালের একটি পুরনো বিতর্কের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। সেবার অভিনেত্রী ও ইনফ্লুয়েন্সার অবনীত কৌরের পোস্টে কোহলির 'লাইক' দেওয়া নিয়েও একইরকম ঘটনা ঘটেছিল। সেই সময় কোহলি জানিয়েছিলেন, ফিড পরিষ্কার করার সময় অ্যালগরিদমের কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে এই ধরনের ইন্টারঅ্যাকশন হতে পারে। তিনি অযথা অনুমান না করতে অনুরোধ করেছিলেন। এবারের ঘটনায় লেসলি ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, শুরুতে মনোযোগ পেয়ে খুশি হয়েছিলেন। কিন্তু বিষয়টি এত দ্রুত বড় আকার নিলে তিনি অস্বস্তি অনুভব করেন। কোহলি 'লাইক' সরিয়ে নেওয়ার পর তার খারাপও লেগেছে বলে জানান। তিনি বলেন, কীভাবে এটি এত বড় খবর হয়ে গেল তা তিনি বুঝতে পারেননি। তবে এই অপ্রত্যাশিত মনোযোগের জন্য কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন তিনি।

সামাজিক মাধ্যমের প্রভাব

এই ঘটনা সামাজিক মাধ্যমের শক্তি এবং তার প্রভাবকে আরও একবার উন্মোচিত করেছে। বিরাট কোহলির মতো তারকাদের সামান্য একটি 'লাইক'ও কীভাবে আলোচনার ঝড় তুলতে পারে, তা এই ঘটনা থেকে স্পষ্ট। লেসলির মতো ইনফ্লুয়েন্সাররা হঠাৎ করে ব্যাপক মনোযোগ পেয়ে অস্বস্তিতে পড়তে পারেন, যা তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে। এই ঘটনা সেলিব্রিটি এবং ইনফ্লুয়েন্সারদের মধ্যে সম্পর্কের জটিলতাকেও তুলে ধরে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এছাড়াও, এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নেওয়া যায় যে, সামাজিক মাধ্যমের ইন্টারঅ্যাকশনগুলো কতটা সূক্ষ্ম এবং তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। ব্যবহারকারীদের উচিত এই ধরনের ঘটনাগুলোকে অতিরঞ্জিত না করে বাস্তবসম্মত দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করা। কোহলির আগের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেও এই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে, যা ব্যবহারকারীদের সচেতন হতে উৎসাহিত করে।