অভিষেক শর্মার বিব্রতকর বিশ্বরেকর্ড: টি-টোয়েন্টিতে এক বছরে সর্বোচ্চ ডাক
অভিষেক শর্মার বিশ্বরেকর্ড: টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ডাক

অভিষেক শর্মার ফর্ম সংকট: টি-টোয়েন্টিতে এক বছরে সর্বোচ্চ ডাকের রেকর্ড

আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটার হওয়া সত্ত্বেও অভিষেক শর্মার সময়টা ভালো যাচ্ছে না। সর্বশেষ বিশ্বকাপে ভারতের শিরোপা জয়ের মিশনে নিজের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারা এই ওপেনার এবার নাম লিখিয়েছেন একটি বিব্রতকর বিশ্বরেকর্ডে। মাত্র চার মাসেই এক বছরে ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চবার শূন্য রানে (ডাক) আউটের রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে গোল্ডেন ডাক

সোমবার (১৩ এপ্রিল) আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচে গোল্ডেন ডাক মেরে এই অনাকাঙ্ক্ষিত কীর্তি গড়েন হায়দরাবাদের এই ব্যাটার। এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালসের মুখোমুখি হয়েছিল। আগে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২১৬ রানের বিশাল পুঁজি সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদের নবাগত বোলার প্রফুল হিঙ্গে ও সাকিব হোসেনের তোপে পড়ে রাজস্থান। মাত্র ৯ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা। শেষ পর্যন্ত ডোনোভান ফেরেরা ও রবীন্দ্র জাদেজার ১১৮ রানের অনবদ্য জুটিও হার বাঁচাতে পারেনি। রাজস্থান ৫৭ রানে পরাজিত হয়, যার মাধ্যমে আসরে তাদের টানা চার জয়ের ধারা ভঙ্গ হলো।

অভিষেকের ফর্ম সংকট ও রেকর্ডের বিশদ

আগের ম্যাচে ৭৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেও রাজস্থানের বিপক্ষে জোফরা আর্চারের প্রথম বলেই ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অভিষেক শর্মা। এটি ছিল চলতি বছরে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে তার সপ্তম ‘ডাক’। এর আগে ভারতীয়দের মধ্যে এক বছরে সর্বোচ্চ ৬টি শূন্য রানের রেকর্ড ছিল গুরকিরাত সিং (২০১৩), সঞ্জু স্যামসন (২০২৪) ও রোহিত শর্মার (২০১৮)। তবে রোহিত বা স্যামসন যেখানে ৩২টি করে ম্যাচ খেলেছিলেন, অভিষেক সেখানে মাত্র ১৮ ম্যাচেই তাদের ছাড়িয়ে গেলেন। বিশ্বকাপের টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউটের পর আইপিএলের এই পারফরম্যান্স তার ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

হায়দরাবাদের জয় ও বোলারদের ভূমিকা

টপ অর্ডারে অভিষেক ও ট্রাভিস হেড (১৮) দ্রুত বিদায় নিলে চাপে পড়ে হায়দরাবাদ। তবে অধিনায়ক ইশান কিষাণ ৪৪ বলে ৮টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৯১ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দলকে উদ্ধার করেন। এছাড়া হেইনরিখ ক্লাসেনের ৪০ এবং নীতিশ কুমার রেড্ডির ২৮ রানের ছোট কিন্তু কার্যকরী ইনিংসে ভর করে চ্যালেঞ্জিং স্কোর পায় হায়দরাবাদ। অভিষেক শর্মা বর্তমানে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকলেও তার আক্রমণাত্মক খেলার ধরণ ইদানীং ফল দিচ্ছে না। তার এবং ট্রাভিস হেডের অফ-ফর্ম ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে ভোগালেও এদিনের জয়ে বোলারদের কৃতিত্বই ছিল মুখ্য। বিশেষ করে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা প্রফুল ও সাকিবের নতুন বলের স্পেল রাজস্থানের ব্যাটিং লাইনআপকে শুরুতেই গুঁড়িয়ে দেয়।