মিরপুরে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে ক্রিকেট ম্যাচ, জয়ী মার্কিন দূতাবাস
শনিবার দুপুরে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এক প্রাণবন্ত পরিবেশে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসজেএ) ও মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মধ্যে এক বন্ধুত্বপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বিশেষ ম্যাচটি যৌথভাবে আয়োজন করে মার্কিন দূতাবাস ও বিএসজেএ।
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত ফলাফল
১৫ ওভারের এই বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বিএসজেএ দল। তারা নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মোট ১০০ রান সংগ্রহ করে। জবাবে মার্কিন দূতাবাসের দল ৩ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেট হারিয়ে ১০১ রানে পৌঁছে জয়ের লক্ষ্য অর্জন করে। ফলে তারা ৪ উইকেটে জয়লাভ করে এই বিশেষ ম্যাচে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
ম্যাচের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাড-হক কমিটির চেয়ারম্যান তামিম ইকবাল এবং বিসিবির অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ। এছাড়াও বিএসজেএর সভাপতি আরিফুর রহমান বাবু ও সাধারণ সম্পাদক এসএম সুমনও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ম্যাচের মূল চালিকা শক্তি
এই প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মার্কিন দূতাবাসের ওপেনার আল-আমিনের ধীরস্থির ও দায়িত্বশীল ইনিংস দলের জয় নিশ্চিত করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। তার শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং দলকে লক্ষ্যের কাছাকাছি নিয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় এনে দেয়।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিরা
ম্যাচ পরবর্তী পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন, বিসিবি অ্যাড-হক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল, বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি এবং বিএসজেএর সিনিয়র কর্মকর্তারা।
রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমী মানুষের প্রতি তার প্রশংসা ব্যক্ত করেন এবং উভয় ক্রিকেট সংস্থাকে তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, "এটি একটি চমৎকার ক্রিকেট ম্যাচ ছিল। আমাদের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশনকে ধন্যবাদ জানাই। জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে পেরে এটি একটি মহান সম্মানের বিষয়।"
উৎসবমুখর পরিবেশ
এই অনুষ্ঠানে খেলোয়াড় ও দর্শকদের উৎসাহী অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। বৈশাখের উৎসবমুখর পরিবেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সম্প্রীতির মেলবন্ধন ঘটে এই বিশেষ ম্যাচে। সমগ্র ইভেন্টটি ক্রিকেটপ্রেমী মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রীড়া বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করে।



