পিএসএলে খেলতে পাকিস্তান গেলেন মোস্তাফিজ, রানা, শরিফুল ও ইমন
পিএসএলে খেলতে পাকিস্তান গেলেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা

পিএসএলে খেলতে পাকিস্তান গেলেন ছয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) আসন্ন আসরে অংশ নিতে বাংলাদেশের ছয়জন ক্রিকেটার পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। আগামী ২৬ মার্চ শুরু হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলো বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের দলে ভিড়িয়েছে, যা দেশের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

ক্রিকেটারদের যাত্রা ও বিসিবির অনাপত্তিপত্র

সোমবার সকালে একটি ফ্লাইটে পাকিস্তান গেছেন পেস বোলার মোস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা, শরিফুল ইসলাম এবং ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন ও তারকা ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম মঙ্গলবার পাকিস্তানের বিমান ধরবেন বলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

তবে, বিসিবি এই ছয় ক্রিকেটারকে পিএসএলের পুরো সময়ের জন্য অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেয়নি। কারণ, আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দেশের মাঠে তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে। এই সিরিজের প্রস্তুতির জন্য বিসিবি সীমিত সময়ের অনাপত্তিপত্র জারি করেছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অনাপত্তিপত্রের সময়সীমা ও প্রভাব

বিসিবি রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা এবং তানজিদ হাসান তামিমকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত পিএসএলে খেলার অনুমতি দিয়েছে। পারভেজ হোসেন ইমনকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া হয়েছে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। অন্যদিকে, মোস্তাফিজুর রহমান দুই ধাপে অনাপত্তিপত্র পেয়েছেন: প্রথম ধাপে ২৬ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় ধাপে ২৪ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত তিনি পিএসএলে অংশ নিতে পারবেন।

এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রস্তুতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। পিএসএলে অংশগ্রহণ বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বাড়াতে সাহায্য করবে, কিন্তু বিসিবি জাতীয় দলের দায়িত্বকেই প্রাধান্য দিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পাকিস্তান সুপার লিগ বিশ্ব ক্রিকেটে একটি জনপ্রিয় টুর্নামেন্ট হিসেবে পরিচিত, এবং বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের সেখানে উপস্থিতি দেশের ক্রিকেটের মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে, বিসিবির এই সময়সীমা নির্ধারণ নিউজিল্যান্ড সিরিজের সাফল্যের দিকে নজর রেখেই করা হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।