ভিয়েতনামে থেকেও ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলাররা
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল বর্তমানে ভিয়েতনামে অবস্থান করছে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রস্তুতির মধ্যেই। এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আসন্ন ম্যাচ এবং ভিয়েতনামের সঙ্গে প্রীতি খেলার জন্য দলটি সেখানে অবস্থান করছে। ফুটবলারদের জন্য এই সময়টি অত্যন্ত ব্যস্ততাপূর্ণ হলেও, তারা দেশের ঈদ উৎসবের কথা ভুলেননি।
ঈদুল ফিতরে ফুটবলারদের বিশেষ বার্তা
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬ তারিখে সারাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হচ্ছে। এই উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এর মাধ্যমে ভিয়েতনাম থেকে ভক্তদের জন্য বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন জাতীয় দলের সদস্যরা। দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া তাঁর বার্তায় বলেছেন, 'ঈদ মোবারক সবাইকে। সবার জন্য শুভকামনা।'
ফরোয়ার্ড শেখ মোরসালিনও ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'ঈদ মোবারক সবাইকে। সবাই পরিবারের সঙ্গে সুন্দরভাবে ঈদ করুন। শুভকামনা সবার জন্য।' তাঁর এই কথায় ফুটবলারদের পারিবারিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে।
বাফুফের ভিডিওবার্তায় অন্যান্য ফুটবলারদের অংশগ্রহণ
বাফুফে কর্তৃক প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তায় শমিত সোম ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেন, 'সবাইকে ঈদ মোবারক। আশা করি, আপনারা সবাই উপলক্ষটা উপভোগ করবেন এবং অনেক অনেক আনন্দ করবেন।' তাঁর এই উষ্ণ অভিবাদনে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়ার আকুতি ফুটসই হয়েছে।
এর আগে আরেকটি ভিডিওবার্তায় হামজা চৌধুরী তাঁর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, 'আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। আমার কাছে আর গোটা বিশ্বের মুসলিমদের কাছে আজকের দিনটা খুব স্পেশাল। আজ ঈদ। আমার পক্ষ থেকে সবার জন্য রইলো অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা। ঈদ মোবারক।' হামজার এই বার্তায় ঈদের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ও বিশ্বব্যাপী মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ পেয়েছে।
ম্যাচের প্রস্তুতি ও ঈদের সমন্বয়
বাংলাদেশ জাতীয় দল এখন ভিয়েতনামে অবস্থান করছে এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য। এর আগে ভিয়েতনামের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচও রয়েছে। ফুটবলারদের জন্য এই সময়টি অত্যন্ত চাপপূর্ণ, কারণ তাদের দম ফেলার জো নেই।
তবে ঈদ উৎসবের এই বিশেষ দিনে তারা ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে ভিডিওবার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এটি ফুটবলারদের মানবিক দিক ও ভক্তদের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দেশ থেকে দূরে থাকলেও, তারা ঈদের আনন্দ ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছেন, যা ক্রীড়া জগতে সামাজিক সংযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে।
এই শুভেচ্ছা বার্তাগুলো নিঃসন্দেহে ভক্তদের মনে বিশেষ স্থান করে নেবে এবং দলের প্রতি তাদের সমর্থন আরও দৃঢ় করবে। ফুটবলারদের এই উদ্যোগটি বাংলাদেশের ক্রীড়া সংস্কৃতিতে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।



