তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন শেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে বাংলাদেশ। দুই ঘণ্টার এই সেশনে ২৫ ওভারে মাত্র ৭২ রান দিয়ে পাকিস্তানের ৪টি উইকেট তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা। কৃতিত্বটা মূলত পেসার তাসকিন আহমেদ ও অফস্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের।
সকালের শুরু
আগের দিন রাত ১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল পাকিস্তান। আজ সকালে কোনো বিপদ ছাড়াই ২১০ রানে পৌঁছে গিয়েছিল তারা। কিন্তু এরপরই ছন্দপতন।
তাসকিনের আঘাত
প্রথম আঘাতটা আসে তাসকিনের হাত থেকে। অভিষেক টেস্টেই সেঞ্চুরি করা আজান ওয়াইস শতরান পূর্ণ করার পরপরই ক্যাচ তুলে দেন স্লিপে, যেখানে অনায়াসে তা লুফে নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপর অধিনায়ক শান মাসুদকেও ফেরান তাসকিন। অফস্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে শর্ট পয়েন্টে সাদমান ইসলামের দুর্দান্ত নিচু ক্যাচে পরিণত হন মাসুদ, ব্যক্তিগত সংগ্রহ মাত্র ৯ রান।
মিরাজের জাদু
এরপর মঞ্চে আসেন মিরাজ। সৌদ শাকিলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। আরেক থিতু ব্যাটার আবদুল্লাহ ফজলও মিরাজের শিকার হন। তাইজুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১২০ বলে ৬০ রান করে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে চারটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান।
পঞ্চম উইকেট হাতছাড়া
তবে দিনের পঞ্চম উইকেটটা হাতছাড়া হয়েছে বাংলাদেশের। তাসকিনের একটি বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন সালমান আলী আগা, লিটন দাস সেটি তালুবন্দিও করেন। কিন্তু বল করার মুহূর্তে তাসকিনের পা ক্রিজের বাইরে থাকায় নো-বল ডাকেন আম্পায়ার। আউট হয়েও রক্ষা পান সালমান।
লাঞ্চের আগে
লাঞ্চবিরতিতে যাওয়ার আগের সাত ওভার অবশ্য নিরাপদে পার করেছেন রিজওয়ান ও সালমান। বর্তমানে এই দুজনই ক্রিজে রয়েছেন এবং পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপের শেষ স্বীকৃত জুটি হিসেবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।



