বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন জুন মাসে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বর্তমানে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে একটি ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। গত ৭ এপ্রিল, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব অর্পণ করে।
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা
সোমবার (২০ এপ্রিল) বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ চলাকালীন প্রেসবক্সে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনায় বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, জুনের প্রথম বা সর্বোচ্চ দ্বিতীয় সপ্তাহে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অ্যাডহক কমিটির তিন মাসের মেয়াদ আগামী ৭ জুলাই পূর্ণ হবে এবং এর আগেই নির্বাচন সম্পন্ন করতে চান।
তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব পাওয়ার পর গত কয়েক দিন ধরে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গত বছরের অক্টোবরে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের শেষ নির্বাচন হয়েছিল, যেখানে তামিমের নেতৃত্বে একটি পক্ষ মনোনয়ন তুললেও পরে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায় এবং আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ২৫ পরিচালক নির্বাচিত হন।
বল বয় সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনা
এদিকে, তামিম ইকবাল সাংবাদিকদের সাথে আলোচনায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে বল বয়ের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি পুনরুদ্ধারের ঘোষণাও দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি জানি না কখন এটা বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন টি-টুয়েন্টি সিরিজ থেকে বল বয় থাকবে।’
বিসিবি সভাপতি নিজের অতীত অভিজ্ঞতা স্মরণ করে যোগ করেন, ‘আমার মনে আছে যখন ২০০৪ সালে এমসিসি এবং ভারত বাংলাদেশে সফর করেছিল, তখন আমি বল বয় ছিলাম। এটি একটি খুবই ইতিবাচক এবং শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা ছিল।’ এই পদক্ষেপ ক্রিকেটের প্রতি তরুণ প্রজন্মের আগ্রহ বাড়াতে এবং খেলার মূল্যবোধ সংরক্ষণে সহায়ক হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
সামগ্রিকভাবে, বিসিবির নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং বল বয় সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রশাসনে নতুন গতিশীলতা আনতে পারে, যা খেলোয়াড় ও অনুরাগীদের জন্য আশাব্যঞ্জক সংবাদ।



