জামাল ভূঁইয়ার 'আমিনুল কার্ড' প্রশংসা: ক্রীড়াবিদদের জন্য সরকারি ভাতা ও কার্ড প্রকল্প
জামাল ভূঁইয়ার 'আমিনুল কার্ড' প্রশংসা: ক্রীড়াবিদদের ভাতা প্রকল্প

ক্রীড়াবিদদের জন্য সরকারি ভাতা ও কার্ড প্রকল্প: জামাল ভূঁইয়ার 'আমিনুল কার্ড' প্রশংসা

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া সোমবার যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের কাছে সরকারের ক্রীড়া ভাতা ও কার্ড প্রকল্প চালু করার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। সরকার সম্প্রতি জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য মাসিক আর্থিক ভাতা ও সম্মানসূচক কার্ড প্রদানের লক্ষ্যে এই প্রকল্প শুরু করেছে, যা ক্রীড়া ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন ও প্রকল্পের বিস্তার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩০ মার্চ, ২০২৬ তারিখে তেজগাঁও, ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। প্রথম পর্যায়ে ২০টি শাখার ১২৯ জন ক্রীড়াবিদ প্রত্যেকে এককালীন ১ লাখ টাকা পেয়েছেন, যার পর মাসিক ভাতা প্রদান শুরু হবে। সরকারের লক্ষ্য মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই বেতন কাঠামোর আওতায় আনা। প্রাথমিক উদ্বোধনের পর দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ১৭১ জন ক্রীড়াবিদকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী জাতীয় ফুটবলার রয়েছেন।

জামাল ভূঁইয়ার অভিজ্ঞতা ও প্রতিক্রিয়া

জামাল ভূঁইয়া নির্ধারিত দিনে তার কার্ড সংগ্রহ করতে না পারায় সোমবার মিরপুরে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের বাসভবনে গিয়ে এটি গ্রহণ করেন। তিনি এই উদ্যোগকে 'প্রশংসনীয়' বলে বর্ণনা করে বলেন, 'এই ক্রীড়া কার্ড আমাদের ক্রীড়া অঙ্গনে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। আমি এটিকে আমিনুল কার্ড বলবো।' তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সাথে একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, 'খেলোয়াড়দের জন্য ক্রীড়া কার্ড চালু করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ভাইকে ধন্যবাদ।'

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য ক্রীড়াবিদদের অন্তর্ভুক্তি

ক্রীড়া কার্ড তালিকায় অন্যান্য বিশিষ্ট ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছেন:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • মিতুল মারমা
  • তোপু বর্মণ
  • মো. রিদয়
  • শেখ মোরশালিন
  • রাকিব হোসেন
  • সোহেল রানা
  • সাদ উদ্দিন

নারী ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছেন রূপনা চাকমা, আফেইদা খন্দকার, শেফালী আজিম, তহুরা খাতুন, মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্ডা, ঋতুপর্ণা চাকমা ও শামসুন্নাহার সিনিয়র। এছাড়াও, এই প্রকল্পের আওতায় নিম্নলিখিত শাখার ক্রীড়াবিদদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে:

  1. বডিবিল্ডিং
  2. সাইক্লিং
  3. ওয়েটলিফটিং
  4. জিমন্যাস্টিক্স
  5. হকি
  6. দাবা
  7. তীরন্দাজি
  8. সাঁতার
  9. জুডো
  10. উশু
  11. কিকবক্সিং
  12. টেনিস
  13. হ্যান্ডবল
  14. ভলিবল
  15. শুটিং
  16. টেবিল টেনিস
  17. ট্রায়াথলন

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী রবিবার পল্টনের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অডিটোরিয়ামে দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের কার্ড বিতরণ করেন। এই প্রকল্পটি ক্রীড়াবিদদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সম্মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।